উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দার ৩৩৫টি বুথে ২০ কোম্পানি। এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গোসাবার ৩৩০টি বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ২৩ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী।
আজ ৪ কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তিনটিতে ত্রিমুখী একটিতে চতুর্মুখী
শনিবার মোট চারটি কেন্দ্রে রয়েছে উপ নির্বাচন (By Election)। এর মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনে দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল (TMC) ও দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি (BJP)। তাই আসন ধরে রাখতে আজ মরিয়া লড়াই দুই দলের। অন্যদিকে বামপন্থী ও কংগ্রেস প্রার্থীরাও আছেন।
খড়দহ (Khardaha) আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। ফল প্রকাশের আগেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তৃণমূল প্রার্থীর। সেই আসন থেকে লড়ছেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। বিপরীতে সিপিআইএমের গতবারের প্রার্থী দেবজ্যোতি দাস। বিজেপির নতুন প্রার্থী জয় সাহা।
গোসাবাও (Gosaba) ছিল তৃণমূলের হাতে। ঘাসফুলের তরফে প্রার্থী হয়েছিলেন জয়ন্ত নস্কর। জয়ীও হন নির্বাচনে। করোনা আক্রান্ত হয়ে এই প্রবীণ নেতার মৃত্য়ুর পর থেকে ফাঁকা সেই আসন। এই কেন্দ্রে আর এসপি প্রার্থী অনিল চন্দ্র মন্ডল। গোসাবাতে লড়াই ত্রিমুখী। আসন ধরে রাখতে তৃণমূলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল। বিজেপির প্রার্থী পলাশ রানা।
কোচবিহারের দিনহাটা (Dinhata) বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। কিন্তু নিশীথকে সাংসদ হিসাবেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় দল। তাই সেই আসনে আজ উপ নির্বাচন। বিধানসভায় পরাজিত উদয়ন গুহই ফের তৃণমূলের প্রার্থী। অন্যদিকে ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী আব্দুল রউফ।বিজেপির নতুন প্রার্থী অশোক মন্ডল।
একই কারণে উপ নির্বাচন হচ্ছে শান্তিপুর (Santipur) বিধানসভা কেন্দ্রে। জয়ী হয়েও সাংসদ পদ বেছে নিয়েই পদত্যাগ করেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। এখানে বিজেপি নতুন করে প্রার্থী দিয়েছে নিরঞ্জন বিশ্বাসকে। সিপিআইএমের তরুন প্রার্থী সৌমেন মাহাতো।তৃনমুলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আজ ভোটের দিন কোচবিহারের দিনহাটার ৪১৭টি বুথের দায়িত্বে থাকবে ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নদিয়ার শান্তিপুরের ৩৫৯টি বুথে ২২ কোম্পানি। উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দার ৩৩৫টি বুথে ২০ কোম্পানি। এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গোসাবার ৩৩০টি বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ২৩ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী। একটি ভোটকেন্দ্রে যদি একটি বুথ থাকে, সেখানে থাকবেন ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ২ থেকে ৪টি বুথ থাকলে, ৮ জন। ৫ থেকে ৮টি বুথ থাকলে ১৬ জন এবং ৯ বা তার বেশি বুথ থাকলে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ২৪ জন জওয়ান।
We hate spam as much as you do