এই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “ইলেকশন কমিশনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ফিরিয়ে এনে তারপরে ভোট করতে হবে। যাদের নাম ডিলিট হয়েছে তাদের নামও ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করলে হবে না।”
'৬০ লাখ বিচারাধীন 'ডিলিট' ভোটারের নাম এনেই ভোট করতে হবে...' কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে দাবি সেলিমের
Mar 09, 2026
আজ ভোটমুখী বাংলায় এ রাজ্যের ভোট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ফুল টিম। এই বিষয়ে আলোচনা করতে রাজ্যের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আজ ৯ মার্চ অর্থাৎ সোমবার সকাল ১০টা থেকে বারোটা পর্যন্ত রাজ্যের স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ।
এই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “ইলেকশন কমিশনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ফিরিয়ে এনে তারপরে ভোট করতে হবে। যাদের নাম ডিলিট হয়েছে তাদের নামও ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করলে হবে না।”
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রশাসনিক আধিকারিকদের গাফিলতিতে সমস্যা হয়েছে এটা স্বীকার করেছে ফুল বেঞ্চ। তিনি বলেন, দলের তরফে সিপিএমএম দাবি রেখেছে, “নির্বাচন কমিশনকে তার সম্মান বজায় রাখতে হবে। আমরা বলে দিয়েছি এই ৬০ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোট করা যায় না। ওরা বলছে বিএলও, ইআরও-দের ভুল ছিল।” একইসঙ্গে সাত আট দফায় ভোট হওয়া নিয়েও দাবি রেখেছে সিপিআইএম। সেলিমের কথায়, “১ দফায় ভোট হওয়া উঁচিত, বেশি হলে ২ দফায়।
অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে, নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে দাবি জানায়, ৭-৮ দফায় নয়, রাজ্যে এবারে এক দু’দফায় ভোট করাতে চায় তারা৷ সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে ১৬ দফা দাবি জানিয়ে এল বিজেপির প্রতিনিধি দল৷
এদিন বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের ১৬ দফা দাবি পেশ করে বিজেপির তরফ থেকে কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। তবে সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ এছাড়া, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল।
We hate spam as much as you do