Tranding

04:20 PM - 22 Mar 2026

Home / National / টিপু সুলতান প্রচলিত সম্প্রীতির 'সালাম আরতি'র নাম বদল! ঐতিহ্য ধ্বংসের বিরোধিতায় বুদ্ধিজীবীরা

টিপু সুলতান প্রচলিত সম্প্রীতির 'সালাম আরতি'র নাম বদল! ঐতিহ্য ধ্বংসের বিরোধিতায় বুদ্ধিজীবীরা

মহিশূরের শাসক টিপু সুলতানের সময় সালাম আরতি অনুষ্ঠান শুরু করা হয়েছিল। রাজ্যের কল্যাণে টিপু সুলতান নিজেই এই পুজো করিয়েছিলেন। তিনি ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার পরেও রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হিন্দু মন্দিরে এই অনুষ্ঠান অব্যাহত ছিল। তৎকালীন সময়ে মহিশূরের পুত্তুর, সুব্রামন্য, মেলকোট এবং অন্য বিখ্যাত মন্দিরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত।

টিপু সুলতান প্রচলিত সম্প্রীতির 'সালাম আরতি'র নাম বদল! ঐতিহ্য ধ্বংসের বিরোধিতায় বুদ্ধিজীবীরা

টিপু সুলতান প্রচলিত সম্প্রীতির 'সালাম আরতি'র নাম বদল! ঐতিহ্য ধ্বংসের বিরোধিতায় বুদ্ধিজীবীরা
 

December 11, 2022, 


কর্নাটকের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার সালাম আরতি অনুষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রসঙ্গত এই অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন মহিশূরের শাসক টিপু সুলতান। হিন্দু রিলিজিয়াস ইনস্টিটিউটশনস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এনডাউমেন্টসের অধীনে আসা কর্নাটক ধর্মিকা পরিষদের তৈরি করা পুরনো আচার অনুষ্ঠানের পরিবর্তন বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

 

মহিশূরের শাসক টিপু সুলতানের সময় সালাম আরতি অনুষ্ঠান শুরু করা হয়েছিল। রাজ্যের কল্যাণে টিপু সুলতান নিজেই এই পুজো করিয়েছিলেন। তিনি ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার পরেও রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হিন্দু মন্দিরে এই অনুষ্ঠান অব্যাহত ছিল। তৎকালীন সময়ে মহিশূরের পুত্তুর, সুব্রামন্য, মেলকোট এবং অন্য বিখ্যাত মন্দিরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত।


ধর্মিকা পরিষদের সদস্য কাশেকোডি সূর্যনারায়ণ ভাট বলেছেন আগে রাজ্য প্রশাসনের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত। এখন জনগণের জন্য এই অনুষ্ঠান করা হবে। এই অনুষ্ঠানের নতুন নাম হবে নমস্কার।


বিরোধিতা করেছিল হিন্দু সংগঠনগুলি
হিন্দু সংগঠনগুলি বলেছিল, সালাম আরতি ছিল দাসত্বের প্রতীক। আধিপত্য জাহির করার জন্য অনুশীলন করা হয়েছিল। হিন্দু সংগঠনগুলিই এই অনুষ্ঠান বন্ধের দাবি তুলেছিল। সেই দাবি মেনে নিল রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার।


যদিও বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বন্ধন এবং সম্প্রীতির প্রতিফলন ছিল এই অনুষ্ঠান। মহান ঐতিহ্য হিসেবেই তা চালিয়ে যাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তাঁরা।
এর আগে স্কুলের পাঠ্য পুস্তক থেকে টিপু সুলতানকে বাদ দেওয়া নিয়েও যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরিয়াপ্পা বলেছিলেন তিনি মনে করেন না ১৮ শতকের তৎকালীন শাসক একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ ছিল, টিপু সুলতান হাজার হাজার খ্রিস্টান এবং কোডাভাসকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেছিলেন। প্রসঙ্গ ক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই টিপু সুলতানের জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছিল বিজেপি।

Your Opinion

We hate spam as much as you do