আর পশ্চিম মেদিনীপুরের সিপিআইএম জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ বলেন, ‘আজকে ফুল্লরা কথা বলার অবস্থায় নেই। আট বছরে একদিনও প্যারোল পাননি। মা–ভাই মারা যাওয়ার পরেও প্যারোল দেওয়া হয়নি তাঁকে। বর্তমান সরকারের চক্রান্তের শিকার ফুল্লরা মণ্ডল। এখনও বহু সিপিআইএম নেতা জেলবন্দি রয়েছেন। তবে যেভাবে বর্তমান সরকারের মুখোশ খুলছে আগামী দিনে মানুষ ছুড়ে ফেলে দেবে।’
৮ বছর পর ঝাড়গ্রাম সিপিআইএম নেত্রী ফুল্লরা মন্ডলের জামিনের পর মুক্তি! মন্তব্য "আমাকে জেলে ঢোকানো ছিল ষড়যন্ত্র’,
২০১১ সালে লালগড়ের নেতাই কান্ডে কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে আসে সিপিএমের ঝাড়গ্রাম জেলা কমিটির নেত্রী ফুল্লরা মণ্ডলের। এরপর ২০১৪ সালে ফুল্লরা মণ্ডল গ্রেফতার হযন। দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি জেলে ছিলেন। লালগড় ব্লকের নেতাই গ্রামে সিপিআইএম নেতা রথীন দণ্ডপাটের বাড়ি থেকে গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল।
তিনদিন আগেই নেতাই গণহত্যা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত সিপিআইএম নেত্রী ফুল্লরা মণ্ডল জামিন পেয়েছিলেন। আজ, শুক্রবার মেদিনীপুর সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফুল্লরা। সুশান্ত ঘোষের পর আরও এক নেত্রী বেরিয়ে এলেন জেল থেকে। দীর্ঘ আট বছর পর শুক্রবার মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন অভিযুক্ত সিপিআইএম নেত্রী ফুল্লরা মণ্ডল। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শর্তসাপেক্ষ জামিন পেলেন ফুল্লরা মণ্ডল।
আজ জেল থেকে বেরোতেই ফুল্লরাকে মালা পরিয়ে দেন সিপিআইএমের কর্মী–সমর্থকরা। তারপর ওই এলাকায় মিছিলও হয়। আজ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০ হাজার টাকা বেল বন্ডে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে। এদিন ফুল্লরা মণ্ডলকে সংশোধনাগারে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ, ডাঃ পুলিনবিহারী বাস্কে, বিজয় পাল–সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।
২০১১ সালে লালগড়ের নেতাই গনহত্যা কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে আসে ফুল্লরা মণ্ডলের। এরপর ২০১৪ সালে ফুল্লরা মণ্ডল গ্রেফতার হয়। দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি জেলে ছিলেন। লালগড় ব্লকের নেতাই গ্রামে সিপিআইএম নেতা রথীন দণ্ডপাটের বাড়ি থেকে গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৯ জনের।২০১৩ সালে নেতাই হত্যা মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই। পরের বছর ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। বিচারপর্ব এখনও শেষ হয়নি বলে খবর।
এদিন জেল থেকে বেরিয়ে তাঁকে যথেষ্ট খুশি দেখা যায়। তারপর সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, ‘আমি আপ্লুত। এতদিন বাদে আমি আমার সাথীদের দেখতে পাচ্ছি। নেতাই মামলায় আমাকে জেলে ঢোকানো ছিল ষড়যন্ত্র।’ আর পশ্চিম মেদিনীপুরের সিপিআইএম জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ বলেন, ‘আজকে ফুল্লরা কথা বলার অবস্থায় নেই। আট বছরে একদিনও প্যারোল পাননি। মা–ভাই মারা যাওয়ার পরেও প্যারোল দেওয়া হয়নি তাঁকে। বর্তমান সরকারের চক্রান্তের শিকার ফুল্লরা মণ্ডল। এখনও বহু সিপিআইএম নেতা জেলবন্দি রয়েছেন। তবে যেভাবে বর্তমান সরকারের মুখোশ খুলছে আগামী দিনে মানুষ ছুড়ে ফেলে দেবে।’
We hate spam as much as you do