বুধবার অর্থমন্ত্রকের স্পষ্ট সার্কুলারে কোপ পড়ে গরীব মধ্যবিত্ত জনতার শেষ সম্বল স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হারে৷ উদ্বেগে হাহাকার করে ওঠেন অনেকে ৷ আয় বলতে যাঁরা কেবল স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের ওপর নির্ভর করেন, চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা৷ পিপিএফের সুদেও কোপ পড়ায় চিন্তায় পড়ে যান অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা৷
গন চাপে পিছু হটল মোদির জনবিরোধী সিদ্ধান্ত; স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমছে না। তবে ভোটের পর কি হবে ?
অর্থমন্ত্রক নাকি বুঝতেই পারেনি। কি বলতে কি বলে ফেলেছে।
অপরিবর্তিত রাখা হল স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার৷ নজর এড়িয়ে যাওয়াতেই সমস্যা হয়েছে, বলছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ৷
বুধবার অর্থমন্ত্রকের স্পষ্ট সার্কুলারে কোপ পড়ে গরীব মধ্যবিত্ত জনতার শেষ সম্বল স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হারে৷ উদ্বেগে হাহাকার করে ওঠেন অনেকে ৷ আয় বলতে যাঁরা কেবল স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের ওপর নির্ভর করেন, চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা৷ পিপিএফের সুদেও কোপ পড়ায় চিন্তায় পড়ে যান অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা৷
পয়লা এপ্রিল দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে৷ পশ্চিমবঙ্গের ৩০টি ও অসমের ৩৯টি আসনে চলছে নির্বাচন৷ এর মধ্যেই এই করোনার রোজগারহীন দিনগুলোর পর দাবানলের মতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার কমিয়ে দেবার খবর৷
নির্বাচন চলতে থাকা দুই রাজ্যের ভোটারদের ওপর বিজেপি বিরোক প্রভাব পড়তে পারে বলে বুঝে যান নেতারা৷ কেবল এই দুই রাজ্যই নয়, এ মাসেই নির্বাচন রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত পদুচেরিতে৷ পশ্চিমবাংলায় এখনও বাকি রয়েছে ছ’ দফা নির্বাচন৷ অসমে শেষ দফার নির্বাচন হবে ৬ এপ্রিল৷ স্বাভাবিকভাবেই স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হারে কোপ কেন্দ্রের শাসক দলকে বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷ সেই কারণেই সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হল বলে ধারণা তাঁদের৷ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রকের তরফে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ জানান, নজর এড়িয়ে যাওয়াতেই এই বিপত্তি৷ ট্যুইট করে সীতারামণ জানান, সুদের হার আপাতত অপরিবর্তিতই থাকছে৷
কাল কয়েকটি জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিজেপি ,পিপিএফে সুদের হার কমানো হয়েছিল ৭.১ শতাংশ থেকে ৬.৪৷
তা কার্যকর হলে পিপিএফে সুদের হার কমে হত গত ৪৬ বছরে সর্বনিম্ন।
এনএসসিতে সুদের হার ৬.৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছিল ৫.৯ শতাংশ৷ এক বছরের টার্ম ডিপোজিটে সুদ কমানো হয়েছিল ১.১ শতাংশ৷ এতদিন এই প্রকল্পে টাকা জমা রাখলে মিলত ৫.৫ শতাংশ হারে সুদ৷ নয়া নির্দেশিকায় তা কমিয়ে করা হয়েছিল ৪.৪ শতাংশ৷ সেভিংস ডিপোজিট সুদের হার কমে হয় ৩.৫ শতাংশ।
এমনিতে প্রতি চার মাস অন্তর স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার কমানো-বাড়ানো হয়৷ তবে আপাতত ওই নির্দেশিকা নামক জনবিরোধী নির্দেশ প্রত্যাহার করায় স্বস্তির শ্বাস ফেলছেন সাধারণ মানুষ৷ বিশেষ করে স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের আয়েই সংসার চলে যাঁদের, তাঁরা৷
তবে কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সংকটের জন্য, এই বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলে পুনরায় এই সিদ্ধান্ত আসবে না এমন গ্যারান্টি দিচ্ছেন না ওয়াকিবহাল মহল।
ছবি- bussiness standard
We hate spam as much as you do