সিঙ্গাপুরের ম্যাচ ফিক্সার উইলসন রাজ পেরুমল লিভিং থ্রি ডি হোল্ডিংস লিমিটেড নামক সংস্থার মাধ্যমে ভারতের পাঁচটি ক্লাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি করেছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পেরুমল ১৯৯৫ সালে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে জেল খাটে। পরবর্তীকালে ফিনল্যান্ড ও হাঙ্গেরিতেও দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। সমস্ত পর্যায়ের ম্যাচ গড়াপেটায় পেরুমল যুক্ত থাকে বলে জানা যাচ্ছে।
ভারতীয় ফুটবলে ম্যাচ গড়াপেটা, ৫ ক্লাবে, তদন্তে সিবিআই -সন্দেহজনক বিনিয়োগ!
Sunday, November 20, 2022,
ভারতীয় ফুটবলে গড়াপেটার কালো ছায়া। তার তদন্তে নেমেছে সিবিআই। ভারতীয় ফুটবলের একটি ম্যাচে গড়াপেটার হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, ৫টি ক্লাবে এক ম্যাচ ফিক্সার বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। এরই তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। তদন্তকারীরা এআইএফএফের সদর দফতরে গিয়ে নথি সংগ্রহও করেছেন।
সিঙ্গাপুরের ম্যাচ ফিক্সার উইলসন রাজ পেরুমল লিভিং থ্রি ডি হোল্ডিংস লিমিটেড নামক সংস্থার মাধ্যমে ভারতের পাঁচটি ক্লাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি করেছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পেরুমল ১৯৯৫ সালে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে জেল খাটে। পরবর্তীকালে ফিনল্যান্ড ও হাঙ্গেরিতেও দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। সমস্ত পর্যায়ের ম্যাচ গড়াপেটায় পেরুমল যুক্ত থাকে বলে জানা যাচ্ছে। অলিম্পিক, বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার, মহিলাদের বিশ্বকাপ, কনকাকাফ গোল্ড কাপ, আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের ম্যাচগুলিতেও এই কুখ্যাত ম্যাচ ফিক্সার গড়াপেটা চালায় বলে অভিযোগ।
এআইএফএফ সূত্রে খবর, যে পাঁচটি ক্লাবে পেরুমলের টাকা ঢুকেছে বলে অভিযোগ, সেই ক্লাবগুলি আই লিগে খেলে। ফেডারেশনের দফতরে গিয়ে ক্লাবগুলি কীভাবে পরিচালিত হয়, সেখানে কীভাবে বিনিয়োগ হয়, এই সব তথ্য সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা সংগ্রহ করেছেন। একটি সর্বভারতীয় দৈনিককে এআইএফএফ সচিব শাজি প্রভাকরণ জানিয়েছেন, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয়ে ফেডারেশন জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলে। যে ক্লাবগুলি তদন্তের আওতায় রয়েছে তাদের ফেডারেশনের তরফে লিখিতভাবে বলা হয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য। ফিক্সাররা শেল কোম্পানির মাধ্যমে যেভাবে বিনিয়োগ করছে তা বেশ চিন্তার। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত কারও সঙ্গে ভারতীয় ফুটবলের যাতে কোনও যোগ না থাকে তা সুনিশ্চিত করতে সর্বতোভাবে সচেষ্ট থাকবে এআইএফএফ।
সিবিআইয়ের তরফে ইতিমধ্যেই ওই পাঁচটি ক্লাবকে চুক্তিপত্র, স্পনসরশিপ সংক্রান্ত যাবতীয় নথি, যে এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশি ফুটবলার ও টেকনিক্যাল স্টাফ আনা হয় তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। এই পাঁচটি ক্লাবের তালিকায় নাম রয়েছে ইন্ডিয়ান অ্যারোজের। এই দলটি আই লিগে খেলতো। তবে কল্যাণ চৌবের নেতৃত্বাধীন এআইএফএফের নতুন এগজিকিউটিভ কমিটি ইন্ডিয়ান অ্যারোজ দলটিকে তুলে দিয়েছে। ভারতীয় ফুটবলে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ নতুন না হলেও কীভাবে ইন্ডিয়ান অ্যারোজ সন্দেহের তালিকায় পড়ল সেটাই অবাক করছে অনেককে। কেন না, এটি এআইএফএফের দল, ওডিশা সরকারও এই দল চালাতে অর্থ দিতো। চার বছর ধরে এখানে কোনও বিদেশি প্লেয়ার বা সাপোর্ট স্টাফও ছিল না। তবে এই দলের সঙ্গে যুক্ত কারও মাধ্যমেই সন্দেহজনক কিছু ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
We hate spam as much as you do