Tranding

03:08 PM - 22 Mar 2026

Home / National / উত্তরাখন্ড সরকারের মাদ্রাসা মসজিদ ভাঙায় সংঘর্ষে নিহত ৪,এলাকায় কার্ফু

উত্তরাখন্ড সরকারের মাদ্রাসা মসজিদ ভাঙায় সংঘর্ষে নিহত ৪,এলাকায় কার্ফু

এনডিটিভি বলছে, আদালতের আদেশের পরে বিপুল সংখ্যক পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দল বৃহস্পতিবার উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে একটি মাদরাসা এবং সংলগ্ন মসজিদ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ওই মাদরাসা ও মসজিদকে অবৈধ বলে গণ্য করার পর সেটি ভেঙে ফেলা হয়।

উত্তরাখন্ড সরকারের মাদ্রাসা মসজিদ ভাঙায় সংঘর্ষে নিহত ৪,এলাকায় কার্ফু

উত্তরাখন্ড সরকারের মাদ্রাসা মসজিদ ভাঙায় সংঘর্ষে নিহত ৪,এলাকায় কার্ফু


০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪


 উত্তরাখণ্ড প্রদেশে একটি বেআইনি এই অভিযোগে মসজিদ ও মাদরাসা গুড়িয়ে দেওয়ার পর উত্তেজনার খবর এসেছে।  এতে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৫০ জন। এদিকে এই অবস্থায় সেখান  কারফিউ জারি করা হয়েছে।

 স্কুল বন্ধ করার পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবাও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে  সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে একটি ‘অবৈধ’ মাদরাসা এবং সংলগ্ন মসজিদ ভেঙে ফেলার পর ব্যাপক সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং আরও ২৫০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ঘটা এই ঘটনায় শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এছাড়া গোলমালকারীদের দেখা-মাত্র গুলি করার আদেশ জারি করা হয়েছে এবং ইন্টারনেট পরিষেবাও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। 


এনডিটিভি বলছে, আদালতের আদেশের পরে বিপুল সংখ্যক পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দল বৃহস্পতিবার উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে একটি মাদরাসা এবং সংলগ্ন মসজিদ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করলে উত্তেজনা  ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ওই মাদরাসা ও মসজিদকে অবৈধ বলে গণ্য করার পর সেটি ভেঙে ফেলা হয়।

 মাদরাসা ও মসজিদ ভাঙার এই পদক্ষেপটি হলদওয়ানির ভানভুলপুরা এলাকায় জনতার তীব্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। সংঘর্ষের ফলে ৫০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য আহত হয়। এছাড়া প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা, পৌরসভার কর্মী এবং সাংবাদিকরাও সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন।


এনডিটিভি বলছে, বিক্ষুব্ধ জনতা কর্মকর্তাদের দিকে পাথর নিক্ষেপ করে এবং জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে থানার বাইরে গাড়িতে আগুন দেওয়ায় সহিংসতা বেড়ে যায় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।

সিনিয়র পুলিশ সুপার প্রহ্লাদ মীনা বলেছেন, আদালতের নির্দেশ মেনে ওই মাদরাসা ও মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বুলডোজার দিয়ে  এই বিল্ডিংগুলি ভেঙ্গে ফেলার সময় নারীসহ বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভেঙ্গে এবং পুলিশের সাথে উত্তপ্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে থাকে। বিক্ষুব্ধ জনতা ২০টিরও বেশি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং প্রাদেশিক আর্মড কনস্ট্যাবুলারির বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আবেদন করেছেন।

Your Opinion

We hate spam as much as you do