এদিন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য জানান, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আইনি জটিলতা মুক্ত এবং ত্রুটিমুক্ত সর্বজন গৃহীত একটি স্বচ্ছ রেজাল্ট বার করতে। তার জন্য আমরা একটু সময় নিয়ে প্রথমে ড্রাফট বার করেছি। মতামত গ্রহণ করেছি। বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়েছি। তারপর আমরা চূড়ান্ত ফল তৈরি করে প্রকাশ করেছি।”
২০১৭ প্রাথমিক টেটের ফলাফল "আইনি ত্রুটিমুক্ত, জটিলতামুক্ত " ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির
আগেই পর্ষদের ওয়েবসাইটে 'অ্যানসার কি' প্রকাশ করা হয়েছিল। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে ড্রাফটও প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিক টেটের ফল ঘোষণা করা হল সোমবার। ২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ১১ মাসের মধ্যে মাথায় এই পরীক্ষার ফল ঘোষণা করল পর্ষদ।
আগেই পর্ষদের ওয়েবসাইটে ‘অ্যানসার কি’ প্রকাশ করা হয়েছিল। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে ড্রাফটও প্রকাশ করা হয়। প্রায় ৩ হাজার মতামত জমা পড়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে। সব মতামত বিশেষজ্ঞদের দ্বারা বিচার করা হয়। এরপরই চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হল। ছাত্র ছাত্রীদের রোল নম্বর ও জন্মের তারিখ দিয়ে সার্চ করলেই জানা যাবে ফলাফল।
এদিন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য জানান, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আইনি জটিলতা মুক্ত এবং ত্রুটিমুক্ত সর্বজন গৃহীত একটি স্বচ্ছ রেজাল্ট বার করতে। তার জন্য আমরা একটু সময় নিয়ে প্রথমে ড্রাফট বার করেছি। মতামত গ্রহণ করেছি। বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়েছি। তারপর আমরা চূড়ান্ত ফল তৈরি করে প্রকাশ করেছি।”
এ বছর পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৪৪ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৫৫৮১৮ জন। মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ১৮৯৫১৪ জন। পরীক্ষা বাতিল হয় ১২ জনের। ৯৮৯৬ জন পাশ করেছেন। পর্ষদ সভাপতি বলেন, “২০২১ সালের জানুয়ারিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। আমরা জানুয়ারির প্রথমদিকেই এ বছর ফল প্রকাশ করলাম। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যে টেট পরীক্ষা হয়, কেন্দ্র সরকার যে সি-টেট নেয় তার জন্য পরীক্ষা ফি দিতে হয়। এসসি, এসটিদের ৫০০ টাকা দিতে হয়। আমাদের কিন্তু ১০০ টাকা জেনারেল ক্যাটাগরির জন্য নেওয়া হয়। ৫০ টাকা নেওয়া হয় সংরক্ষিতদের জন্য। ২০১২ সালের পর ২০১৪ সালের টেটে এই ফি-ও মকুব করে দেয় রাজ্য।” দু’টি ওয়েবসাইটে পরীক্ষার্থীরা টেট প্রাথমিকের ফলাফল দেখতে পাবেন।
ওয়েবসাইট দু’টি হল
We hate spam as much as you do