Tranding

10:05 PM - 06 May 2026

Home / National / উত্তরকাশীর আটকে পড়া ৪১ শ্রমিক প্রযুক্তির সাহায‍্যেই উদ্ধারের পথে

উত্তরকাশীর আটকে পড়া ৪১ শ্রমিক প্রযুক্তির সাহায‍্যেই উদ্ধারের পথে

উদ্ধার অভিযানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, জাতীয় বিপর্যয় রেসপন্স ফোর্স এবং চিকিৎসকরা এখন টানেলের ভেতর ঢোকার জন্য প্রস্তুত আছেন। ভেতরে তারা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন এবং তাদের পাইপের মাধ্যমে বের করে আনার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

উত্তরকাশীর আটকে পড়া ৪১ শ্রমিক প্রযুক্তির সাহায‍্যেই উদ্ধারের পথে

উত্তরকাশীর আটকে পড়া ৪১ শ্রমিক প্রযুক্তির সাহায‍্যেই উদ্ধারের পথে


২৮ নভেম্বর, ২০২৩


আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। টানা ১৭ দিন আটকে থাকার পর অবশেষে মুক্ত হতে চলেছে ৪১ শ্রমিক। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) তাদের উদ্ধার প্রক্রিয়া সফল হয়েছে।

 উত্তরাখণ্ডের নির্মাণাধীন টানেলের ভেতর আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পাইপ স্থাপনের পর উন্মুক্ত হয়েছে টানেলের মুখ। বের হয়ে আসছে শ্রমিকরা।

 সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির লাইভ ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রমিকদের বের করে আনার কাজ শুরু হয়েছে এবং সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স টানেল থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।

এর আগে ১২ নভেম্বর ভোরে টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে। এতে ভেতরে আটকা পড়েন ৪১ শ্রমিক। ১৭ দিন ধরে সেখানে আটকে পড়ে ছিলেন তারা।

টানেলে মোটা পাইপ স্থাপনে ব্যবহার করা হয়েছে  ‘র‌্যাট হোল’ মাইনিং। উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন আমেরিকান অগারস ড্রিলিং মেশিন দিয়ে ড্রিল করে সেখানে ৬০ মিটার লম্বা পাইপ স্থাপনের কাজ চলছিল। কিন্তু শুক্রবার সেই ড্রিলিং মেশিনটি ভেঙে যায়। 

এরপর হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এই উদ্ধার অভিযানের জন্য ডাকা হয় সেনা সদস্যদের।

উদ্ধার অভিযানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, জাতীয় বিপর্যয় রেসপন্স ফোর্স এবং চিকিৎসকরা এখন টানেলের ভেতর ঢোকার জন্য প্রস্তুত আছেন। ভেতরে তারা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন এবং তাদের পাইপের মাধ্যমে বের করে আনার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

শ্রমিকদের বের করে আনা মাত্র প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দিতে ৩০ কিলোমিটার দূর ৪১ বেডের একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। শ্রমিকদের নিয়ে যেন অ্যাম্বুলেন্সগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছে যেতে পারে সেজন্য সেখানে একটি গ্রিন করিডোর তৈরি করা হয়েছে।

ওই হাসপাতালে অক্সিজেন সুবিধাও রাখা হয়েছে বলে  বলা হয়েছে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do