সোমবার খবরে এসেছে, উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রাতের ডিউটিতে নিযুক্ত এক নার্সকে ধর্ষণ করেছেন এক চিকিৎসক। ভুক্তভোগী নার্সের অভিযোগ, ওয়ার্ড বয় ও একজন মহিলা নার্স তাকে জোর করে ডাক্তারের ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়
যোগীরাজ্যে মোরাদাবাদে ক্লিনিকে নার্সকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ডাক্তার -সহ ২জন
19 আগষ্ট 2024
আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল গোটা দেশ। তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের বিচার চাইতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে তারকা সকলে। গোটা দেশের চিকিৎসকরা নিজেদের কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। রীতিমতো উত্তাল পরিস্থিতি গোটা দেশের। আর এই আন্দোলনের মধ্যেই চারদিকে আরও নাশকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। হামলা, ধর্ষণের সংখ্যা যেন আরও বাড়ছে। যাই হোক, সোমবার খবরে এসেছে, উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রাতের ডিউটিতে নিযুক্ত এক নার্সকে ধর্ষণ করেছেন এক চিকিৎসক। ভুক্তভোগী নার্সের অভিযোগ, ওয়ার্ড বয় ও একজন মহিলা নার্স তাকে জোর করে ডাক্তারের ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। আর ধর্ষণের ঘটনার পর অভিযুক্তরা কাউকে কিছু না বলতে না করে ওই তরুণী নার্সকে। এবং সে যদি ধর্ষণের কথা বলে দেয়, অন্যথায় তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে মোরাদাবাদের ঠাকুরদ্বারা থানা এলাকায়। ঘটনার পর ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা ঠাকুরদ্বারা থানায় ডাক্তার শাহনওয়াজ, নার্স মেহনাজ ও জুনায়েদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। নিহতের পরিবার জানিয়েছে, তাদের মেয়ে ১০ মাস ধরে ওই বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজ করছে। ১৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় নাইট ডিউটিতে যান। মধ্যরাতের পর নার্সের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। সেদিন ডাক্তারের ঘরে ভিকটিম যেতে রাজি ছিলেন না। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়ার্ড বয় জুনায়েদ আবার এসে ডাক্তারের কাছে যেতে বলেন। এরপর তাকে জোর করে ডাক্তারের কক্ষে নিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয় তাঁরা।
নার্সটি সাহায্যের জন্য কাকুতি মিনতি করে অনুরোধ করলেও চিকিৎসক তাঁর উপর অস্বাভাবিক নির্যাতন চালায়। ওই নার্স তখন তাঁর সহকর্মী নার্সদের ডাকলেও কেউ সাড়া দেয়নি। এরপর চিকিৎসক শাহনেওয়াজ নির্যাতিতা নার্সকে ধর্ষণ করেন। ডাক্তার বললেন যত টাকা চাইবেন তাই দেব, কিন্তু কাউকে কিছু বলবেন না। বললে মেরে ফেলব। নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, পুরো ঘটনার সময় অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় তাঁদের মেয়ের মোবাইল চার্জিং থেকে বের করে নিজের কাছে রাখে। সকালে মেয়ে বাড়িতে পৌঁছে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানায়। পরে পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মোরাদাবাদের সিএমও ডাঃ কুলদীপ সিং বলেছেন যে বিভাগের দল পরিদর্শন করেছে এবং হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ও সিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ জানিয়েছে, তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসপি দেহাত সন্দীপ কুমার মীনা জানিয়েছেন যে ঠাকুরদ্বারা থানা এলাকায় একটি আবেদন পাওয়া গেছে।
We hate spam as much as you do