দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ভোটের হার ৬১.১১ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে— ৫৭.৭৩ শতাংশ।
৯২.৫ শতাংশ!সর্বোচ্চ ভোটদান দ্বিতীয় দফায়, বাদ পড়ার আতঙ্ক নাকি পরিবর্তন?
৩০ এপ্রিল ২০২৬,
দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ছাড়াল ৯২.৫ শতাংশ! সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৯২.৪৭ শতাংশ!
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ
দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ভোটের হার ৬১.১১ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে— ৫৭.৭৩ শতাংশ।
১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। ৭০.৪৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫২.০৫ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৫৪.১৩ শতাংশ। ভবানীপুরে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৮.৫৩ শতাংশ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে।
কমিশন বলেছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার
দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ।
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হাড়োয়ায়, ৯৪.৫ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮২.১৮ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৮৫.৫১ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৮৮.১৪ শতাংশ।
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার ------
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৯১.৩১ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও বিভিন্ন বুথে চলছে ভোটদান। ফলে ভোটের এই হারের হেরফের হবে। প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৭ শতাংশ। শেষ পর্যন্ত তা বেড়ে হয় ৯৩.১৯ শতাংশ।
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাড়োয়া আসনে ভোটের হার সর্বোচ্চ— ৯৬.৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার রাজারহাট গোপালপুর— ৮৪.৩৬ শতাংশ। ভবানীপুরে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৬.৪৩ শতাংশ। ভাঙড়ে ৯২.৩৬ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও চলেছে ভোটগ্রহণ। তাই এই হারের হেরফের হবে।
যা পরিসংখ্যান, তাতে দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।
চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ।
We hate spam as much as you do