আজ ১ মে থেকে ছোট ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় ধাক্কা। ৫ কেজি ওজনের মিনি এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার, যা সাধারণত 'ছোটু' সিলিন্ডার নামে পরিচিত, তার দাম একধাক্কায় ২৬১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দামেও বিপুল বৃদ্ধি ঘটেছে। তবে, স্বস্তির খবর হলো, সাধারণ গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের (১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডার) দামে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
১৯কেজি বানিজ্যিক এর সাথে দাম বাড়ল ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ,ডিজেল পেট্রল কি হবে? মধ্যবিত্তের মাথায় হাত
01 May 2026
ভোট মিটতেই হাইজাম্প বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে (19 kg commercial gas cylinder rate hiked)। ৯৯৪ টাকা বেড়ে ৩০০০ এর গণ্ডি পেরিয়ে গেল ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। এবার বাড়ল ৫ কেজি 'ছোটু' সিলিন্ডারের দামও (Prices of 5 kg Free Trade LPG cylinders) একধাক্কায় দাম বাড়ল ২৬১ টাকা (increased by Rs 261 per cylinder)। স্মল স্কেল ইউজার্সদের জন্য খুবই জনপ্রিয় এই ৫ কেজির সিলিন্ডার।
আজ ১ মে থেকে ছোট ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় ধাক্কা। ৫ কেজি ওজনের মিনি এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার, যা সাধারণত 'ছোটু' সিলিন্ডার নামে পরিচিত, তার দাম একধাক্কায় ২৬১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দামেও বিপুল বৃদ্ধি ঘটেছে। তবে, স্বস্তির খবর হলো, সাধারণ গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের (১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডার) দামে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
ভোট হয়ে গেছে এবার রান্নাঘরে 'হামলা'
বেড়ে গেল ৫ কেজি সিলিন্ডারে দাম। বাড়ল ২৬১ টাকা! 'ছোটু' বা ৫ কেজির ফ্রি ট্রেড এলপিজি (FTL) সিলিন্ডারের দাম ২৬১ টাকা বেড়ে এখন ৮১০ টাকা হল (আগে এর দাম ছিল ৫৪৯ টাকা)। মূলত পরিযায়ী শ্রমিক, ব্যাচেলর, শিক্ষার্থী ও ছোট খাবারের দোকানদাররা এটি ব্যবহার করেন, তাই এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের দৈনন্দিন খরচে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দামে আগুন
১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৯৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে দিল্লিতে এই সিলিন্ডারের দাম ৩,০৭১.৫০ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। মুম্বই, কলকাতা এবং চেন্নাইয়ের মতো মেট্রো শহরগুলিতেও আনুপাতিক হারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়বে রেস্তোরাঁ, হোটেল এবং বেকারি ব্যবসায়। এর ফলে বাইরের খাবারের দামও বাড়তে পারে।
অপরিবর্তিত
গার্হস্থ্য গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিতই। সাধারণ পরিবারগুলির সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ১৪.২ কেজির গার্হস্থ্য রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
দাম বৃদ্ধির কারণ
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যাহত হওয়াই এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু ভারত তার এলপিজি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি করে, তাই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসের ১ তারিখে এই দাম সংশোধন করা হয়।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই এসেছিল দুঃখের খবর। জানা গিয়েছিল, ভোট মিটতেই হাইজাম্প বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে। ৯৯৪ টাকা বেড়ে ৩০০০ এর গণ্ডি পেরিয়ে গেল ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। আজ ১ মে থেকে কলকাতায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের রিভাইজ়জ দাম দাঁড়াল ৩২০২ টাকা! ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের দামও বাড়ল? না, তখনও গৃহস্থের গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিতই ছিল! ১৪.২ কেজির ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের দাম ছিল ৯৩৯ টাকা।
পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়বে?
এবার কি বাড়বে পেট্রল-ডিজেলের দাম? এরকম একটা গুজব শোনা যাচ্ছে। সেই গুজবকে সত্য করে ইতিমধ্যেই বেড়েছে অটো এলপিজির দাম। তাহলে কি অটো ভাড়া বাড়বে? বাড়তেই পারে, কেননা, লিটার প্রতি অটো এলপিজির দাম ৬ টাকা ৪৪ পয়সা বেড়ে লিটার প্রতি ৮৯.৪০ টাকা হল। আর এর পর বাড়তেই পারে পেট্রল-ডিজেলের দামও!
হরমুজ সংকটের জেরেই ঘটল এটা? ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরুর আগে অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম ছিল লিটার প্রতি ৫২ টাকা। সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে তেল ও জ্বালানির ঘাটতে দেখা দেওয়ার পরই ভারতেও জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করে। এক মাস আগেই পেট্রল পাম্পগুলিতে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ অটোর লাইন দেখা গিয়েছিল। জ্বালানি না পাওয়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই লাইন দিয়েছিলেন তাঁরা। এবার কী হবে?
We hate spam as much as you do