Tranding

01:32 AM - 05 Jun 2026

Home / North 24 Parganas / "জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে" উত্তর ২৪ পরগনা প্রয়াত জননেতা মৃণাল চক্রবর্তীর স্মরণ

"জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে" উত্তর ২৪ পরগনা প্রয়াত জননেতা মৃণাল চক্রবর্তীর স্মরণ

স্মরণসভায় অন্যতম প্রধান বক্তা ছিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। প্রয়াত মৃণাল চক্রবর্তীর ভরাট কন্ঠের কথা উল্লেখ করে সেলিম তার দীর্ঘ ভাষণে উল্লেখ করেন, কিভাবে সমস্ত সমাজকে মানুষের দাবী দাওয়া থেকে সরিয়ে নিয়ে ক্রমশ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সংখ্যালঘিষ্ঠের রাজনীতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে সমস্যা আদৌ কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই। ইতিহাস থেকে, ভূগোল থেকে সেই সমস্যাকে তুলে ধরে উস্কে দিয়ে সামাজিক সমাজের বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে। নয়া ফ্যাসিস্টদের এটাই কাজ। এর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই করতে গেলে সংগঠনকে সময়োপযোগী করে তুলতে হবে। 

"জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে" উত্তর ২৪ পরগনা প্রয়াত জননেতা মৃণাল চক্রবর্তীর স্মরণ

"জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে" উত্তর ২৪ পরগনা প্রয়াত জননেতা মৃণাল চক্রবর্তীর স্মরণ

২৭ মে ২০২৬


বিধানসভা ভোটের ঠিক দুদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিআইএমের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব রাজ্য কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তীর জীবনে অবসান ঘটে মৃণাল চক্রবর্তীর স্মরণ সভা আজ অনুষ্ঠিত হল মধ্যমগ্রাম নজরুল শতবার্ষিকী ভবনে দামুদাহু কাটিয়ে এক বিপুল সংখ্যক সিপিআইএম কর্মী সমর্থক ভিড় করলেন এই স্মরণ সভায়।  সভার শুরুতেই ভারতীয় গণনাট্য সংঘের পক্ষ থেকে অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রবীন্দ্র সংগীত সহ অন্যান্য গণসংগীত শপথের সুরে পরিবেশিত হল। 


স্মরণ সভায় বক্তা ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।  বিমান বসু তার স্মৃতিকথায় মৃণাল চক্রবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠার কাহিনী উল্লেখ করেন। একটা কঠিন এবং অন্যরকম সময় এসেছে নয়া ফ্যাসিস্ট শক্তি বিজেপি এবং আরএসএস পশ্চিমবাংলায় ক্ষমতায় এসেছে নিশ্চিতভাবে বামপন্থী আন্দোলনকে আরো মজবুত করবার কথা বিমান বসু উল্লেখ করেন। 

স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম পলিটব‍্যুরো সদস্য শ্রীদীপ ভট্টাচার্য  বলেন, পৃথিবীতে কেউ কমিউনিস্ট হয়ে জন্মায় না। কমিউনিস্ট হয়ে উঠতে হয়। সমাজ এবং পরিবেশের সাথে নিয়মিত সংগ্রাম এবং দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়েই একজন মানুষ কমিউনিস্ট হয়ে ওঠে। মৃণাল চক্রবর্তী সেটা পেরেছিলেন। 

স্মরণ সভায় অন্যতম বক্তা ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সিপিআইএমের প্রাক্তন নেতা গৌতম দেব গৌতম দেব তার ভাষণে মৃণাল চক্রবর্তী সাথে তার গভীর পরিচয় এর কথা উল্লেখ করেন। এই সময়ে নতুন ধরনের লড়াই সংগঠিত করার সময় মৃনাল বাবুর চলে যাওয়া এক শূন্যতা সৃষ্টি করেছে বলে গৌতম দেব উল্লেখ করে।

স্মরণসভায় অন্যতম প্রধান বক্তা ছিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। প্রয়াত মৃণাল চক্রবর্তীর ভরাট কন্ঠের কথা উল্লেখ করে সেলিম তার দীর্ঘ ভাষণে উল্লেখ করেন, কিভাবে সমস্ত সমাজকে মানুষের দাবী দাওয়া থেকে সরিয়ে নিয়ে ক্রমশ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সংখ্যালঘিষ্ঠের রাজনীতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে সমস্যা আদৌ কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই। ইতিহাস থেকে, ভূগোল থেকে সেই সমস্যাকে তুলে ধরে উস্কে দিয়ে সামাজিক সমাজের বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে। নয়া ফ্যাসিস্টদের এটাই কাজ। এর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই করতে গেলে সংগঠনকে সময়োপযোগী করে তুলতে হবে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিপিআইএম জেলা সম্পাদক পলাশ দাশ। তিনি শোক প্রস্তাব পাঠ করে মৃণাল চক্রবর্তী তার একাত্তর বছরের জীবনে ধাপে ধাপে কি করে জননেতা হয়ে উঠেছিলেন তা বর্ণনা করেন ১৯৮৫ সালে সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য হয়ে দীর্ঘ সময় জনগণের হয়ে কাজ করেন। 
সরল অনুষ্ঠানে রাজ্য বামফ্রন্টের নেতৃত্বরা বিশেষ করে সিপিআই সারা ভারত ফরোয়ার্ড ব্লক ও সিপিআইএমএল লিবারেসনের নেতৃত্ব প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষ হয় সৌমেন রায়ের রবীন্দ্রসংগীত "যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন" থেকে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল সংগীতের মধ্যে দিয়ে।।

Your Opinion

We hate spam as much as you do