এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে রাহুলের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জমা পড়েছে। রাহুল রায়বরেলী থেকে সাংসদ পদটি ধরে রাখার যোগ্য নন বলে, তাঁর সাংসদ পদও বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে। বিচারপতি শেখর সরাফ এবং বিচারপতি অবধেশ কুমার চৌধরি মামলার শুনানি করবেন।
রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব ও সাংসদ পদ খারিজের দাবীতে বিজেপি , পিটিশন জমা দিল
26 May 2026
লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জমা পড়ল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। রাহুলের ভারতের নাগরিকত্ব বাতিল করতে আবেদন জানালেন আইনজীবী অশোক পান্ডে এবং দন্ত চিকিৎসক রাজনেশ কুমার সিংহ। শুধু তাই নয়, লোকসভা সদস্যতাও বাতিল করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। (Rahul Gandhi)
এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে রাহুলের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জমা পড়েছে। রাহুল রায়বরেলী থেকে সাংসদ পদটি ধরে রাখার যোগ্য নন বলে, তাঁর সাংসদ পদও বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে। বিচারপতি শেখর সরাফ এবং বিচারপতি অবধেশ কুমার চৌধরি মামলার শুনানি করবেন।
আবেদনকারীদের দাবি, ২০০৩ সালের ২১ অগাস্ট ব্রিটেনে M/S backops Limited নামের যে সংস্থাটি গড়ে ওঠে, ব্রিটেনের রেকর্ডে সেই সমস্থার ডিরেক্টর এবং অন্যতম শেয়ার হোল্ডার হিসেবে নাম রয়েছে রাহুলের। লন্ডনের একটি ঠিকানাও দেওয়া হয় সেই সময়। আবেদনপত্রে বলা হয়, ‘ওই সংস্থা সংক্রান্ত বিভিন্ন ওয়েবসাইট পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে রাহুল গাঁধী ব্রিটেনের নাগরিক। ২০০৪ সালে অমেঠীর রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হলফনামাতেও M/S Backops Limited-এর মালিকানার উল্লেখ করেছেন রাহুল’।
রাহুলের ভারতের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি, আবেদনকারীদের দাবি, রাহুল নিজেই যেখানে নিজেকে ব্রিটেনের নাগরিক বলেছেন, ভারতীয় নাগরিকত্ব আইনের ৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপনাআপনিই তাঁর ভারতের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। আবেনদপত্রে বলা হয়, ‘রাহুল গান্ধী ভারতের নাগরিক নন, তিনি ব্রিটেনের নাগরিক। তাই ভারতের সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই তাঁর’।
২০১৫ সালেও রাহুলের নাগরিকত্ব বাতিল চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন আইনজীবী পান্ডে। সেই সময় তাঁর দাবি ছিল, ব্রিটেনে আয়কর জমা করার সময় নিজেকে সেদেশের নাগরিক বলে উল্লেখ করেছিলেন রাহুল। ফলে আর ভারতের নাগরিকত্ব থাকার কথা নয় তাঁর। সেই সময় হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। নাগরিকত্বের বিষয়টি পুরোপুরি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে বলে জানিয়েছিলেন বিচারপতিরা। এর পর ২০১৯ সালে রাজনেশ একই দাবি নিয়ে আবেদন জমা করেন।
বিজেপি-র প্রাক্তন সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও ২০১৯ সালে রাহুলের নাগরিকত্ব নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। রাহুল ব্রিটেনের নাগরিক বলে দাবি করেন তিনিও। সেই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাহুলকে অবস্থান স্পষ্ট ভাবে জানাতে বলা হয়েছিল। কর্নাটকের বিজেপি কর্মী এ ভিগ্নেশ শিশির ২০২৪ সালে একই অভিযোগ জানিয়ে আবেদন জানান।
We hate spam as much as you do