তালিকায় রয়েছেন ঘাটালের সাংসদ ‘পাগলু’ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। যিনি ২৪ ঘন্টা আগে মঙ্গলবারই (৯ জুন) সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন, ততদিন তাঁর পাশে থাকব।’ রয়েছে ‘ডিগবাজি’ খাওয়ায় পারদর্শী শত্রুঘ্ন সিনহা। যিনি বিজেপি থেকে কংগ্রেস ঘুরে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছিলেন। রয়েছে বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে মোদির রাজ্য গুজরাত থেকে ভাড়া করে আনা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নামও
দেব,শত্রুঘ্ন, ইউসুফ, আবু, খলিলুররা ১৯ তৃণমূল এমপির মোদি সমর্থন, অধ্যক্ষকে চিঠি
June 11, 2026
সব জল্পনার অবসান। তৃণমূলের সংসদীয় দল ভেঙে কারা আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ্যে এল। তালিকায় রয়েছেন ঘাটালের সাংসদ ‘পাগলু’ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। যিনি ২৪ ঘন্টা আগে মঙ্গলবারই (৯ জুন) সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন, ততদিন তাঁর পাশে থাকব।’ রয়েছে ‘ডিগবাজি’ খাওয়ায় পারদর্শী শত্রুঘ্ন সিনহা। যিনি বিজেপি থেকে কংগ্রেস ঘুরে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছিলেন। রয়েছে বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে মোদির রাজ্য গুজরাত থেকে ভাড়া করে আনা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নামও।
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ভরাডুবির পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে ছারখার হয়েছে। বিধানসভায় তৃণমূলের ৫৮ বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। বিধানসভার পরে লোকসভাতেও ধাক্কা খান মমতা। বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের নেতৃত্বে দলের দুই তৃতীয়াংশ সাংসদই বিদ্রোহ ঘোষণা করে আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের দাবি করে লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দেন। প্রথমে কাকলিদের তরফে দাবি করা হয়, ২০ সাংসদ তাদের সঙ্গে রয়েছেন। তবে কোন ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহ করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। যদিও বুধবার (১০ জুন) লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের ১৯ সাংসদ স্বাক্ষর করেছেন। তারা হলেন-
১. কাকলি ঘোষ দস্তিদার (বারাসত)
২. শতাব্দী রায় (বীরভূম)
৩. জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া (কোচবিহার)
৪. খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর)
৫. ই্উসুফ পাঠান (বহরমপুর)
৬. আবু তাহের খান (মুর্শিদাবাদ)
৭. পার্থ ভৌমিক (বারাকপুর)
৮. বাপি হালদার (মথুরাপুর)
৯. সায়নী ঘোষ (যাদবপুর)
১০. মালা রায় (দক্ষিণ কলকাতা)
১১. মিতালি বাগ (আরামবাগ)
১২. দীপক অধিকারী (দেব) (ঘাটাল)
১৩. কালীপদ সোরেন (ঝাড়গ্রাম)
১৪. জুন মালিয়া (মেদিনীপুর)
১৫. অরূপ চক্রবর্তী (বাঁকুড়া)
১৬. শর্মিলা সরকার (বর্ধমান পূর্ব)
১৭. অসিত কুমার মাল (বোলপুর)
১৮. শত্রুঘ্ন সিনহা (আসানসোল)
১৯. রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (হুগলি)
We hate spam as much as you do