তবুও ৩-০ গোলের জয়ে পুনর্জাগরণের স্বপ্ন দেখছে সেলেকাওরা। গোল ফারাকের নিরিখে এগিয়ে থাকায় গ্ৰুপ তালিকায় এখন শীর্ষে অবস্থান করছেন নেইমাররা।
সাম্বার ছন্দে ফিরছে ব্রাজিল, ৩ গোলের পর আরও গোলের আক্ষেপ !
উত্থান দাশ
২১ জুন ২০২৬
গ্রূপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কাঙ্খিত জয় মেলেনি। মরোক্কোর বিরুদ্ধে কোনোক্রমে ম্যাচ উদ্ধার করে পেলে, গ্যারিঞ্চা, রোনাল্ডোদের দেশ। প্রত্যাশিত ভাবেই ব্রাজিল সমর্থকদের সন্দেহের ভ্রূকুটি প্রকট হয়ে ওঠে। বিশ্বকাপে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের আশঙ্কায় । কিন্তু হাইতির বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে চনমনে বেলো হরাইজান্তে থেকে কলকাতা, পোর্ত আলেগ্রে থেকে পেশোয়ার। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে প্রতিপক্ষ ‘জাগরণে যায় বিভাবরী’ পর্যায়ের কেউ নয়। তবুও ৩-০ গোলের জয়ে পুনর্জাগরণের স্বপ্ন দেখছে সেলেকাওরা। গোল ফারাকের নিরিখে এগিয়ে থাকায় গ্ৰুপ তালিকায় এখন শীর্ষে অবস্থান করছেন নেইমাররা।
২০ মিনিটে প্রথম গোল পায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের দুরন্ত শট কোনোক্রমে প্রতিহত করেন হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসাইড। ফিরতি বল অনায়াসে জালে জড়ান ম্যাথিউস কুনহা (১-০)।
১৩ মিনিটের মধ্যেই সেই ভিনি - ম্যাথিউস জুটিই ব্যবধান বাড়ান। মাঝামাঠে বল কেড়ে নিয়ে ম্যাথিউসের উদ্দেশ্যে থ্রু বাড়ান ভিনি। টপ কর্ণারে প্লেস করা দুরন্ত শটে দলের ও নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফেলেন ম্যান ইউয়ের তারকা ফরওয়ার্ড (২-০)। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ভিনিসিয়াস। লুকাস পাকেতার পাস অসাধারণ ভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন কৃষ্ণাঙ্গ মহাতারকা। দ্বিতীয়ার্ধেও একপেশে জোগো বনিতো উপহার দেন নেইমারের সতীর্থরা। একাধিক নিশ্চিত গোল অল্পের জন্যে লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে বড় ব্যবধানে জিতত ব্রাজিল। পরিবর্ত হিসেবে নামা মার্তিনেল্লির চোখ ধাঁধানো শট ক্রসবারে প্রতিহত হয়। এছাড়াও এনরিকের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূলপর্বে উন্নীত হয় হাইতি। নতুন শতকে নতুন ইতিহাস গড়ে তাই একেবারেই ম্রিয়মান নয় ক্যারিবিয়ান দেশটি। মরোক্কোর বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের শেষ অভিযানে তাই সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে মরিয়া তারা। নাই বা পাওয়া গেল পরের রাউন্ডের টিকিট। ৫২ বছরের বিশ্বকাপ খরার অবসান তো ঘটেছে!
We hate spam as much as you do