মন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যের ৫১টি আইটিআই কলেজকে এবার বেসরকারি বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে অনেক বেশি পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে এই শিক্ষাকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করা যায়। তিনি আরও জানান, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেভাবে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করা হয়েছে, ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেও টাটা-র মতো প্রথম সারির কর্পোরেট সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই আইটিআই কলেজগুলি পরিচালনা করা হবে।
ব্যবসায়ী অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী, ৫১ আইটিআই বেসরকারিকরণ হবে, শিক্ষার প্রসারে 'পিএম সেতু যোজনা
27 June 2026
কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সে পঞ্চম বিশ্ব এমএসএমই দিবস (MSME Day 2026) উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় । সেখানে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ এবং তার আমূল অগ্রগতির এক সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে রাজ্যের আইটিআই কলেজগুলির আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে একটি অত্যন্ত বড় এবং তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করেন মন্ত্রী।
উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় স্পষ্ট জানান, বর্তমান সরকার এখন মূলত যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘সেতু যোজনা’র ওপর সবথেকে বেশি জোর দিচ্ছে। রাজ্যের কারিগরি শিক্ষাকে আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং সেখানে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ টানতে এক অভিনব পদক্ষেপ করতে চলেছে প্রশাসন।
মন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যের ৫১টি আইটিআই কলেজকে এবার বেসরকারি বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে অনেক বেশি পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে এই শিক্ষাকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করা যায়। তিনি আরও জানান, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেভাবে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করা হয়েছে, ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেও টাটা-র মতো প্রথম সারির কর্পোরেট সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই আইটিআই কলেজগুলি পরিচালনা করা হবে।
একইসঙ্গে শিল্পপতিদের উদ্দেশে মন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, শুধুমাত্র শিল্পক্ষেত্রের জন্য একতরফা সরকারি ভর্তুকি বা উৎসাহভাতা দেওয়াই এই রাজ্যের একমাত্র লক্ষ্য বা চিন্তাভাবনা হতে পারে না। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক যে সমস্ত কৃত্রিম বাধা ও লাল ফিতের ফাঁস রয়েছে, সরকার কড়া হাতে সেই সমস্ত অন্তরায় দূর করতে বদ্ধপরিকর। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সরকার নিজের দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করবে। তবে আমরা বেঙ্গল চেম্বার এবং অন্যান্য বণিক সভা ও শিল্পপতিদের কাছে অনুরোধ রাখব, আপনারা এগিয়ে আসুন এবং এই রাজ্যে আরও বেশি করে বিনিয়োগ করুন। আমরা সবাই মিলে যৌথভাবে এ রাজ্যে বাণিজ্যের একটি সুস্থ পরিবেশ বা ইকোসিস্টেম গড়ে তুলব।”
We hate spam as much as you do