নীরব মোদি, বিজয় মাল্যরা এখন অতীত কথা। সম্প্রতি ভারতের আর্থিক ইতিহাসে নতুন ধাক্কা দিয়েছে রাজেশ এক্সপোর্ট (Rajesh Export SEBI Case)। সেবির অভিযোগ, ১৫ লাখ কোটির আর্থিক হিসেব জালিয়াতি করেছে এই কোম্পানি। তবে ২০১৪ সালের রিপোর্টে মারাত্মক আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে এই কোম্পানির বিরুদ্ধে। জেনে নিন, অতীতে রাজেশ এক্সপোর্টের নামে কী কী অভিযোগ উঠেছে।
LIC ও রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ১৫ লক্ষ কোটি গন অর্থ প্রতারণা স্ক্যামে কেন্দ্র ঘনিষ্ঠ রাজেশ এক্সপোর্ট
চিরন্তন গাঙ্গুলী
7জুন 2025
দেশ জুড়ে এবং গোটা পৃথিবীতে নানা সংকটের মধ্যে এক ভয়াবহ সংকট এর মুখে ভারতের অর্থনীতি, জনগণের বিপুল পরিমাণে টাকা যা জনগণ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য সঞ্চয় করেন ব্যাংক বা জীবন বীমা সেই টাকা কর্পূরের মত উড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই এই সময়ে নতুন করে চিন্তা বাড়াল রাজেশ এক্সপোর্টের ১৫ লাখ কোটির প্রতারণা স্ক্যাম (Rajesh Exports SEBI Case)। সবথেকে বড় বিষয়, এই কোম্পানিতে ১০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ রয়েছে LIC-র। রাষ্ট্রায়ত্ত কানারা ব্যাঙ্ক (Canara Bank) বিপুল অঙ্কের ঋণ দিয়েছে এই কোম্পানিকে। ফলে ঝুঁকিতে পড়ে গেল সাধারণ মানুষের টাকা।
নীরব মোদি, বিজয় মাল্যরা এখন অতীত কথা। সম্প্রতি ভারতের আর্থিক ইতিহাসে নতুন ধাক্কা দিয়েছে রাজেশ এক্সপোর্ট (Rajesh Export SEBI Case)। সেবির অভিযোগ, ১৫ লাখ কোটির আর্থিক হিসেব জালিয়াতি করেছে এই কোম্পানি। তবে ২০১৪ সালের রিপোর্টে মারাত্মক আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে এই কোম্পানির বিরুদ্ধে। জেনে নিন, অতীতে রাজেশ এক্সপোর্টের নামে কী কী অভিযোগ উঠেছে।
রাজেশ এক্সপোর্টস লিমিটেড হল একটি ভারতীয় বহুজাতিক সোনার খুচরা বিক্রেতা যার সদর দপ্তর বেঙ্গালুরু , কর্ণাটকে অবস্থিত। সংস্থাটি সোনা এবং গয়না পরিমার্জন, ডিজাইন এবং বিক্রি করে। এটি ২০২০ সালে ফরচুন ইন্ডিয়া ৫০০ তালিকায় ৭তম স্থানে ছিল, যার আয় ₹ ২.৯০ ট্রিলিয়ন , এবং ফরচুন গ্লোবাল ৫০০- এ ৪৬২ তম
কেমন সংস্থা এই রাজেশ এক্সপোর্ট?
বিশাল আয় হলেও নামমাত্র লাভ বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক এই কোম্পানিটি কোনও ছোটখাটো সংস্থা নয়। ২০১৫ সালে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে সুইজারল্যান্ডের 'ভালকাম্বি' (Valcambi) নামের বিশ্বের বৃহত্তম সোনার শোধনাগারটি কিনে নিয়েছিল রাজেশ এক্সপোর্টস। এরপর থেকেই ভারতের সর্বোচ্চ টার্নওভার করা কোম্পানিগুলির তালিকায় জায়গা করে নেয় তারা।
সেবির রিপোর্ট অনুযায়ী, বিগত কয়েক বছরে কোম্পানির আর্থিক খতিয়ান ছিল চোখ কপালে তোলার মতো:
২০২০-২১ অর্থবর্ষ: প্রায় ২.৫৮ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব।
২০২২-২৩ অর্থবর্ষ: প্রায় ৩.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ: রাজস্ব লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৭.৭৮ লক্ষ কোটি টাকায়।
কোথায় আসল আর্থিক অসঙ্গতি ----
হিসেবখাতা বলছে, রাজেশ এক্সপোর্টের আসল গোলমালটা ছিল অন্য জায়গায়। এত বিপুল পরিমাণ ব্যবসার পরেও কোম্পানির লাভ থাকত অত্যন্ত নগণ্য। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৬ সালের মার্চ ত্রৈমাসিকেই কোম্পানি যেখানে ২.৩৬ লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসা দেখিয়েছে, সেখানে লাভের বদলে উল্টে ৫৩.৫ কোটি টাকার নেট লোকসান বা ক্ষতি রেকর্ড করা হয়েছে। বিপুল আয় অথচ নামমাত্র লাভ, এই খটকা বছরের পর বছর ধরে ভাবাচ্ছিল বাজার বিশ্লেষকদের।
২০১৪ সাল থেকেই আর্থিক অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগ সেবির এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বহু আগে, ২০১৪ সালেই আর্থিক খবরের ম্যাগাজিন 'মানিলাইফ' (Moneylife) রাজেশ এক্সপোর্টসের আর্থিক অসঙ্গতি নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তৎকালীন সময়ে কোম্পানির উত্থাপিত কয়েকটি অসঙ্গতি সম্পর্কে নীচে দেওয়া হল
কম কর্মী খরচ:
যে সংস্থা বছরে ৩১,০০০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করছে, তাদের কর্মচারীদের বেতন বা কর্মী খরচ দেখানো হয়েছিল মাত্র ৭ কোটি টাকা। জুয়েলারি তৈরি, খুচরো ব্যবসা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো শ্রম-ভিত্তিক সেক্টরে এই খরচ অবিশ্বাস্য রকমের কম।
অদ্ভুত ব্যালেন্স শিট:
কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যেখানে প্রায় ৯,৮৪৬ কোটি টাকা নগদ জমা দেখানো হয়েছিল, সেখানে একই সঙ্গে কেন ২,৬৯৫ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া বজায় রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
অডিট আপত্তি ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট:
বিশিষ্ট বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষক দেবাশিস বসু ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজেশ এক্সপোর্টসকে "রহস্যময় কোম্পানি" বলে উল্লেখ করেন। ২০১৫ সালের একটি কোয়ার্টারে ২৩.৭১ কোটি টাকা লাভ করেও কোম্পানির ট্যাক্স প্রভিশন 'শূন্য (০)' দেখানো নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।
সেবির অন্তর্বর্তী তদন্তে কী উঠে এসেছে ?একজন শেয়ারহোল্ডারের অভিযোগের ভিত্তিতে সেবি যখন একটি ফরেনসিক অডিট দল নিয়োগ করে, তখন বেশ কিছু মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে:
সেবির মূল পর্যবেক্ষণ:
রাজেশ এক্সপোর্টসের মোট আয়ের প্রায় ৯৭% থেকে ৯৯% আসে তাদের বিদেশি সাবসিডিয়ারি (সহযোগী সংস্থা) ও শাখাগুলি থেকে। ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে এই সহযোগী সংস্থাগুলির মাধ্যমে দেখানো ১৫.১৫ লক্ষ কোটি টাকার সম্পূর্ণ রাজস্বই কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানো বা সাজানো (Inflated) হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সেবি।
তদন্তকারী দল আরও জানিয়েছে যে, সুইজারল্যান্ডের ডেটা প্রোটেকশন আইনের দোহাই দিয়ে কোম্পানি তাদের বিদেশি সহযোগী সংস্থাগুলির মূল ইআরপি (ERP) সিস্টেম এবং ট্রানজ্যাকশন ডেটা খতিয়ে দেখার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি, এলআইসি (LIC)-র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার এই কোম্পানিতে ১০%-এর বেশি শেয়ার রয়েছে এবং কানারা ব্যাঙ্কের প্রায় ৫০৯ কোটি টাকার ঋণ জড়িয়ে থাকায় সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের টাকাও এখন বড়সড় ঝুঁকিতে।
পাল্টা কী বলছে কোম্পানি ?
যদিও কোম্পানির বিরুদ্ধে ওঠা হিসেব জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজেশ এক্সপোর্টস। সেবির সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে সংস্থা। কোম্পানির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে , তাদের ঘোষিত রাজস্বের হিসেবে কোনও ভুল বা জালিয়াতি হয়নি। এটি মূলত সেবি ও কোম্পানির নথিপত্রের মধ্যে একটি "যোগাযোগের ঘাটতি ও বিভ্রান্তি" (Communication Gap)। তারা সমস্ত আসল নথিপত্র সেবির কাছে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং তারা আশাবাদী যে চূড়ান্ত তদন্তে সত্য প্রমাণিত হবে।
কেন এই কোম্পানিকে নিয়ে এত চিন্তা বাড়ছে?
দেশের অন্যতম বৃহৎ সোনা ও গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘রাজেশ এক্সপোর্টস’ (Rajesh Exports) এবার এক চরম সংকটের মুখে। একদিকে দেশের শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবি (SEBI) কোম্পানির বিরুদ্ধে মারাত্মক জালিয়াতির অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে পাওনাদারের দায়ের করা দেউলিয়া পিটিশন এই দুই ফলায় কার্যত বিদ্ধ বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক এই সংস্থা।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, এই সংস্থায় একদিকে যেমন রাষ্ট্রায়ত্ত কানারা ব্যাঙ্কের (Canara Bank) কোটি কোটি টাকার ঋণ আটকে রয়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের জমানো টাকার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন বা এলআইসি (LIC)-র বিপুল বিনিয়োগও এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
এই পাঁচ কারণে বাজারের বিনিয়োগকারীদের মনে চিন্তা বাড়ছে
১ বাজার থেকে নিষিদ্ধ সংস্থার কর্ণধার রাজেশ মেহতা
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির হাতে ইতিমধ্যেই এসেছে জালিয়াতির প্রাথমিক প্রমাণ। যে কারণে কোম্পানির বিরুদ্ধে গত ৩ জুন একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ জারি করেছে SEBI। সেই নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজেশ এক্সপোর্টস ও সংস্থার চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ মেহতাকে পুঁজিবাজার বা শেয়ার মার্কেট থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২ ১৫.১৫ লাখ কোটি টাকার বিরাট জালিয়াতির অভিযোগ
কী বলা হয়েছে সেই রিপোর্টে ? সেবির রিপোর্টে যে তথ্য সামনে এসেছে তা রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো। ২০২১ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে রাজেশ এক্সপোর্টস তাদের সহযোগী সংস্থাগুলি থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের প্রায় ১৫.১৫ লাখ কোটি টাকা ভুলভাবে বা জালিয়াতি করে দেখিয়েছে। এই পরিমাণটি তাদের মোট রাজস্বের প্রায় ৯৯.৮ শতাংশ! সেবি জানিয়েছে, সংস্থার আয়ের ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ আসত সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক সহযোগী সংস্থা 'Valcambi SA' থেকে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সেই সংস্থাগুলির আর্থিক খতিয়ান কখনই জনসমক্ষে আনা হয়নি।
৩। ভুয়ো লেনদেন ও তহবিল তছরুপের একাধিক অভিযোগ
সেবির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, 'অ্যাফ্লুয়েন্স শেয়ার্স অ্যান্ড স্টকস প্রাইভেট লিমিটেড' নামক একটি সংস্থার সঙ্গে ১১,৪৮৭ কোটি টাকার বিক্রি এবং ১১,৪৮৮ কোটি টাকার ক্রয়ের হিসাব দেখিয়েছে রাজেশ এক্সপোর্টস। অথচ সংশ্লিষ্ট ওই সংস্থাটি এই ধরণের কোনও লেনদেনের কথাই সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। শুধু তাই নয়, অডিট কমিটির অনুমতি ছাড়াই সংস্থার ৩৩৯ কোটি টাকা কর্ণধার রাজেশ মেহতার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল যা দিয়ে তিনি ডেরিভেটিভ ট্রেড করেছিলেন বলেও অভিযোগ। এই জালিয়াতির জেরে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীসহ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের প্রায় ১২,৭২৬ কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে।
৪ কানারা ব্যাঙ্ক দিয়েছিল বিপুল অঙ্কের ঋণ, যা মেটানো হয়নি
সবথেকে চিন্তায় পড়েছে কানারা ব্যাঙ্ক। রাজেশ এক্সপোর্টসকে বিপুল অঙ্কের ঋণ দিয়েছিল সংস্থা। সময়মতো ঋণ শোধ না করায় কানারা ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই এই সংস্থাকে 'স্ট্রেসড লোন' (Stressed Loan) বা সংকটাপন্ন ঋণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থার কাছে ব্যাঙ্কের মোট পাওনা ৫০৯ কোটি টাকা। টাকা উদ্ধারে কানারা ব্যাঙ্ক এখন এই ঋণটি একটি ওপেন অকশন বা প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে অন্য কোথাও বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
৫। ঝুঁকির মুখে LIC-তে থাকা সাধারণ মানুষের টাকা
রাজেশ এক্সপোর্ট নিয়ে চিন্তা বেড়েছে LIC-র। কারণ কোম্পানিকে বাজারে নিষিদ্ধ করায় LIC-র বিনিয়োগ করা অর্থ আটকে গিয়েছে। যা আসলে সাধারণ মানুষের পলিসির টাকা। কানারা ব্যাঙ্ক যেখানে ঋণদাতা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত, সেখানে দেশের বৃহত্তম বিমা সংস্থা LIC-র এই সংস্থায় ১০.৮% শেয়ার অংশীদারিত্ব রয়েছে। অর্থাৎ, রাজেশ এক্সপোর্টসের অন্যতম বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হল এলআইসি। মনে রাখা দরকার, এলআইসি-র এই টাকা কোনও নিজস্ব পুঁজি নয়, এটি কোটি কোটি সাধারণ ভারতীয়র পলিসির প্রিমিয়ামের টাকা। ফলে এই সংস্থার পতনে পরোক্ষভাবে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ই বড়সড় ধাক্কা খেল।
এই বিষয়ে কী বলছে কোম্পানি
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির এই অভিযোগ সামনে আসার পরই মুখ খুলেছেন রাজেশ এক্সপোর্টসের সিএমডি রাজেশ মেহতা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, "এটি একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ মাত্র। সেবির এই তথ্য ও পরিসংখ্যান একেবারেই সঠিক নয়। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে আমাদের বিস্তারিত বিবৃতি পেশ করব।"
যদিও জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং বেশ কয়েক বছর আগে নরেন্দ্র মোদির সাথে রাজেশ মেহতার ছবি দেখিয়ে কটাক্ষ করা হয়
প্রতারক এবং আইন থেকে পলাতক ব্যক্তিরা মিঃ মোদীর নাকের ডগা দিয়েই বিদেশে পালিয়ে চলেছে - এবং গত ১২ বছরে তাদের কাউকেই ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়নি। রাজেশ মেহতার সাথে ছবি তোলা ছাড়া - এই কেলেঙ্কারিতে যারা তাদের জীবনের সঞ্চয় হারিয়েছেন, সেই বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর কষ্টার্জিত সঞ্চয় রক্ষা ও পুনরুদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রী আর কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?
We hate spam as much as you do