বিহারের সমস্তিপুরে ২০১১ সালে জন্ম বৈভব সূর্যবংশীর। বিহারের জার্সিতে ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেকের পর ২০২৫ সালে আইপিএলে সুযোগ পায় সে। নিজের প্রথম আইপিএল মরশুমেই গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫ বলে শতরানের ইনিংস খেলে বিহারের 'বিস্ময় বালক'।
১৫ বছর ৭০ দিনের কিশোর বৈভব এবার জাতীয় দলে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বরেকর্ড করল
06 Jun 2026
গত আইপিএলে অরেঞ্জ ক্যাপের মালিক হয়েছিল সে। এরপর থেকেই সম্ভাবনা আরও উজ্জল হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৬ সদস্যের দলে সুযোগ পেল বিহারের 'বিস্ময় বালক' বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার সুযোগ চলে এসেছে বৈভবের সামনে। জাতীয় দলে ডাক পেয়েছে সে। সচিন তেন্ডুলকরকে টেক্কা দিল এই বাঁহাতি ওপেনার।
১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের জার্সিতে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল সচিন তেন্ডুলকরের। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬। যদিও বৈভব এখনও অভিষেক করেনি। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মোট দুটো সিরিজে সুযোগ থাকছে। একটি ম্য়াচে সুযোগ পেলেই কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করার নিরিখেও সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে নিজের নাম সবার ওপরে নিয়ে আসবে বৈভব। ২০২৬ আইপিএলে ব্যাট হাতে রীতিমত রাজত্ব করেছে বৈভব। যার জন্য নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান অজিত আগরকরকে বলতে শোনা যায়, 'বৈভব টি-টোয়েন্টিতে নিজের পারফরম্য়ান্সের নিরিখে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য নিজের নাম জোরালো করেছে। অসাধারণ পারফর্ম করেছে আইপএলে গোটা মরশুমে।'
বিহারের সমস্তিপুরে ২০১১ সালে জন্ম বৈভব সূর্যবংশীর। বিহারের জার্সিতে ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেকের পর ২০২৫ সালে আইপিএলে সুযোগ পায় সে। নিজের প্রথম আইপিএল মরশুমেই গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫ বলে শতরানের ইনিংস খেলে বিহারের 'বিস্ময় বালক'। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাট স্কোর। গত আইপিএলে ১৬ ইনিংসে ৭৭৬ রান করেছিল বৈভব। ৪৮.৩৭ গড়ে ব্যাটিং করেছিল বিহারের ছেলে। ২৩৭ এর ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্য়াটিং করেছিল বৈভব।
শুধু অরেঞ্জ ক্যাপ জেতাই নয়, ১৫ বছর বয়সি বিস্ময় বালক সবথেকে প্রতিভাবান উঠতি ক্রিকেটার ও টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার, দুই পুরস্কারই জিতেছে। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সে এই দুই পুরস্কার নয়, একই মরশুমে পাঁচ পাঁচটি পুরস্কার জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বৈভব। রাজস্থান রয়্য়ালসের ওপেনার টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়া অরেঞ্জ ক্যাপ, সুপার স্ট্রাইকার, সর্বাধিক ছক্কা মারা ও সেরা উঠতি প্রতিভার পুরস্কার জয়ের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে পেয়েছে। টুর্নামেন্ট শেষে কেবল পুরস্কারমূল্য বাবদই বৈভব ৫৫ লক্ষ টাকা পেয়েছে। এর সঙ্গে সেরা ক্রিকেটার হিসাবে গাড়ি তো রয়েইছে।
We hate spam as much as you do