ওয়াশিংটন এক্সামিনার’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী আফগান সেনার সঙ্গে ছিলেন দানিশ। তালিবানের এক হামলা সেই দলটিকে ভাগ করে দেয় দুটি অংশে। দানিশ যে দলে ছিল, সেটি একটি স্থানীয় মসজিদে গিয়ে ফার্স্ট এইড পান। স্থানীয় তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মসজিদে দানিশের উপস্থিতি জানতে পেরে পরিকল্পনা করে সেখানে হামলা চালায় তালিবান।
দানিশের মৃত্যু পরিকল্পিত, তালিবানরা পরিচয় জেনেই খুন করে দাবী এক মার্কিন পত্রিকায়
সকলে জেনেছিল সেই চল্লিশ বয়সের ফটোজার্নালিষ্ট দানিশ সিদ্দিকি ক্রশ ফায়ারে গুলি লেগে মারা যান। কিন্তু সম্পুর্ণ অন্য তথ্য পাওয়া গেল এক মার্কিন ম্যাগাজিনে।
দানিশ সিদ্দিকির পরিচয় জানতে পেরেই তাঁকে নৃশংস ভাবে খুন করেছিল তালিবান। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল সেই মার্কিন ম্যাগাজিন।
‘ওয়াশিংটন এক্সামিনার’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী আফগান সেনার সঙ্গে ছিলেন দানিশ। তালিবানের এক হামলা সেই দলটিকে ভাগ করে দেয় দুটি অংশে। দানিশ যে দলে ছিল, সেটি একটি স্থানীয় মসজিদে গিয়ে ফার্স্ট এইড পান। স্থানীয় তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মসজিদে দানিশের উপস্থিতি জানতে পেরে পরিকল্পনা করে সেখানে হামলা চালায় তালিবান।
পত্রিকার রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, দানিশকে তালিবানরা জীবিত অবস্থায় আটক করেছিল। তাঁর পরিচয় জেনেই তাঁকে নৃশংস ভাবে খুন করেছিল তালিবান জঙ্গিরা। রিপোর্টটির লেখক মাইকেল রুবিনের দাবি, তাঁর কাছে ভারতীয় সরকার সূত্রে কিছু ভিডিয়ো এসেছে যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে দানিশকে খুব বাজে ভাবে মারা হয়েছিল মাথায় এবং মুখে। তারপর তাঁর শরীর গুলিতা ঝাঁঝরা করা হয়। তালিবানের এই নৃশংস আচরণ প্রমাণ করে যে তাঁরা যুদ্ধের কোনও নিয়মই মানছে না।
এর আগে অবশ্য তালিবানের তরফে দাবি করা হয়েছিল, ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা জানা নেই তাদের। পাশাপাশি পুলিত্জারজয়ী দানিশের মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশও করা হয় তালিবানের তরফে। গোষ্ঠীর মুখপাত্র এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, 'ওয়ার-জোনে ঢোকা যেকোনও সাংবাদিকের উচিত আমাদের জানানো। আমরা তাঁদের খেয়াল রাখব। ভারতীয় সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যুতে আমরা দুঃখিত। এটা দুঃখের বিষয় যে সাংবাদিকরা আমাদের না জানিয়েই যুদ্ধক্ষেত্রে ঢুকছেন।'
মার্কিন সেনা চলে যাবার পর স্পিন বোডলাকের মূল বাজার এলাকাকে তালিবান দখলমুক্ত করতে লড়াই শুরু করে আফগান সেনা। সেই সময় দানিশ সিদ্দিকি এবং এক আফগান আধিকারিকের মৃত্যু হয়। পরে দানিশের মৃতদেহ আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের হাতে হস্তান্তর করে তালিবান।
We hate spam as much as you do