Tranding

11:42 PM - 12 Jul 2026

Home / Sports / দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হবে? আশায় স্পেন

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হবে? আশায় স্পেন

পেশাদারিত্বের বেড়াজাল অতিক্রম করে পারিবারিক বন্ধনের কথাও তাঁর গলায় শোনা যায়। এই প্রসঙ্গে বার্সা তারকার সংযোজন, ‘আমি আমার মা আর ভাইকে দেখছিলাম। আমি তাদের দিকে স্ক্রিনের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়েছি, তারা ভীষণ খুশি ছিল।’  সামগ্রিক ভাবে দলের পারফর্মেন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমরা দৃষ্টিনন্দন ফুটবল খেলতে পারছি না। কিন্তু বাস্তবে যেটা হয়, সেটা বোঝা উচিৎ। আমাদের বিরুদ্ধে সমস্ত দল রক্ষণে পায়ের জঙ্গল তৈরী করে ফেলে। আর এতেই আমাদের কাজ আরও কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু, হ্যাঁ! শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতি।’

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হবে? আশায় স্পেন

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হবে? আশায় স্পেন


উত্থান দাস
12 জুলাই 2026


ফ্রান্সের বিরুদ্ধে শেষ চারের মহারণ। আর তাতে স্পেনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা একটি পরিসংখ্যান। বিগত ৩৬টি ম্যাচে অপরাজিত তারা। এই নিরিখে এগিয়ে শুধু ইতালি। আজ্জুরিরা ৩৭টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল। সুতরাং এমবাপ্পেদের হারাতে পারলে ফাইনালে ওঠা ছাড়াও ইতালিকে স্পর্শ করবে জাভি - ইনিয়েস্তাদের দেশ।
 মাইকেল মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছেছে তিকিতাকার সফলতম রূপকাররা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে স্পেন। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্রথমবার শেষ চারের টিকিট জোগাড় করেছিল তারা। সেবার বিশ্বকাপ নিয়েই ঘরে ফিরেছিলেন ডেভিড ভিয়া - কার্লোস পিওলরা। এই বিশ্বকাপে সেই স্বপ্নের সফরের পুনরাবৃত্তির আশায় স্পেনের আপামর জনগণ। প্রতিপক্ষের নাম ফ্রান্স। যারা এই বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন। অন্তত ফুটবল বোদ্ধাদের তো সেটাই মত। এম্বাপ্পে - ডেম্বেলেরা যা খেলছেন, তাতে পরিষ্কার যে বিশেষজ্ঞরা অতিশয়োক্তি করছেন না। তাতেও ঘাবড়াচ্ছেন না তরুণ তুর্কি ইয়ামাল থেকে শুরু করে কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তে।
 স্প্যানিয়ার্ডদের নয়নের মণি লামিন ইয়ামাল বীর দর্পে এম্বাপ্পেদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। সদ্য আঠেরোয় পা দেওয়া মহাতারকা বলেছেন, ‘যদি ফ্রান্সের কাউকে ভয় পেতে হয়, তাহলে আমাদের পাওয়া উচিৎ। আমরাই সেই দল, যারা তাদের গতবার পর্যুদস্ত করেছি। আমরা ইউরো জিতেছি। আমার বরাতে ছিল ১ গোল। বিশ্বকাপ পেয়ে গেলে, আমার গোলের কথা আর লোকের মনে থাকবে না। আমরা জিততে চাই এবং সেটাই আমাদের মিশন!’


 পেশাদারিত্বের বেড়াজাল অতিক্রম করে পারিবারিক বন্ধনের কথাও তাঁর গলায় শোনা যায়। এই প্রসঙ্গে বার্সা তারকার সংযোজন, ‘আমি আমার মা আর ভাইকে দেখছিলাম। আমি তাদের দিকে স্ক্রিনের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়েছি, তারা ভীষণ খুশি ছিল।’
 সামগ্রিক ভাবে দলের পারফর্মেন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমরা দৃষ্টিনন্দন ফুটবল খেলতে পারছি না। কিন্তু বাস্তবে যেটা হয়, সেটা বোঝা উচিৎ। আমাদের বিরুদ্ধে সমস্ত দল রক্ষণে পায়ের জঙ্গল তৈরী করে ফেলে। আর এতেই আমাদের কাজ আরও কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু, হ্যাঁ! শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতি।’
 ইয়ামালদের হেডস্যার ফুয়েন্তে তাঁর প্ৰিয় ছাত্রের ঢঙেই বলেছেন, ‘ফ্রান্সের ততটাই চিন্তিত হওয়া উচিৎ, যতটা আমরা। আমরাই পৃথিবীর একমাত্র দল, যারা তাদের পরপর দুটি ম্যাচে তাদের পরাস্ত করেছি।’ মঙ্গলবারের হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে একটা জিনিস অন্তত পরিষ্কার। বিনা যুদ্ধে সূচগ্র মেদিনীও পাবে না ফ্রান্স। এই মেজাজ যদি মাঠে খেলায় রূপান্তরিত হয়ে যায়, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। জাভি - ইনিয়েস্তারা সেই আশাতেই প্রহর গুনছেন।

Your Opinion

We hate spam as much as you do