Tranding

03:50 AM - 21 Jun 2026

Home / Politics / মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ টিএমসির বিরুদ্ধে , পুলিশের লাঠিচার্জ

মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ টিএমসির বিরুদ্ধে , পুলিশের লাঠিচার্জ

বুধবার সকালে প্রথমে বাম প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা বাম প্রার্থীদের মনোনয়নে বাধা দেন। তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর আসে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে ছিলেন বিধায়করা, তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীরাও ছিলেন। তাঁদেরকে সঙ্গে নিয়েই এসডিও অফিসে বিজেপি প্রার্থীরা ঢুকে যান। এরপরই অশান্তি শুরু হয় এলাকায়।

মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ টিএমসির বিরুদ্ধে , পুলিশের লাঠিচার্জ

মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ টিএমসির বিরুদ্ধে , পুলিশের লাঠিচার্জ


বুধবার সকালে প্রথমে বাম প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা বাম প্রার্থীদের মনোনয়নে বাধা দেন। তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর আসে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে ছিলেন বিধায়করা, তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীরাও ছিলেন। তাঁদেরকে সঙ্গে নিয়েই এসডিও অফিসে বিজেপি প্রার্থীরা ঢুকে যান। এরপরই অশান্তি শুরু হয় এলাকায়।

 

মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে ছড়াল উত্তেজনা। এদিন দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে যান। তাঁদের অভিযোগ, বিধায়ক উদয়ন গুহর সামনেই মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তৃণমূল কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে পুলিশ। বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে বিধায়করা এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী ছিল। মনোনয়ন পর্বে এটা কাম্য নয়। এ প্রসঙ্গে এমনটাই প্রতিক্রিয়া উদয়ন গুহর। বিজেপির নাটক, তবে এমন কিছু ঘটে থাকলে দল এটা সমর্থন করে না, জানিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি।

 


তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা বিজেপি প্রার্থীদেরও মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেন বলে অভিযোগ। দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। হাতাহাতিতে গড়ায় বিষয়টি। এসডিও অফিসের সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তৎপরতার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দিনহাটা থানার পুলিশ। প্রথমে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। এসবের মাঝেই বিজেপি প্রার্থীরা এসডিও অফিসে ঢুকে মনোনয়ন জমা দেন।


তৃণমূলের মূলত অভিযোগ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেন বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে ঢুকলেন? এর প্রতিবাদে সুর চড়াচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ। তাঁর বক্তব্য, “রাজ্য নির্বাচন কমিশন যেখানে ভোট করাচ্ছে, রাজ্য পুলিশ যেখানে নির্বাচন করানোর দায়িত্বে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে কীভাবে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন বিজেপি প্রার্থীরা? এটা তো বেআইনি। পুলিশ এটাকে কীভাবে অনুমতি দিচ্ছে? সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ঢুকল এসডিও অফিসে? এটা হতে পারে না।”

অন্যদিকে জলপাইগুড়ি পুরভোটে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে আটক বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা। মলয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, প্রথম তালিকায় তাঁর নাম থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় তালিকায় বাদ পড়েন। এরপরই নির্দল হিসেবে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা। প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার ষড়যন্ত্রেই এই ঘটনা বলে তাঁর দাবি।


গতকাল মনোনয়ন জমা দিতে এলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার। টেনে-হিঁচড়ে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফের আজ সকালে অনুগামী ও আইনজীবীকে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যান বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা। সরকারি কাজে বাধা ও কোভিড বিধিভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে আটক করে পুলিশ। তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া এখন মেলেনি।


বহরমপুর পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী অরুণাভ রায়ের ওপর হামলার অভিযোগ। গতকাল রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ গান্ধী কলোনীর কাছে ঘটনাটি ঘটে। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, দেওয়াল লেখার জন্য বাইকে চড়ে গান্ধী কলোনীর দিকে যাওয়ার সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। বিজেপি প্রার্থীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do