বিধানসভায় পেশ হওয়ার আগেই প্রস্তাবিত ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোস্যাল অ্যাকটিভিজ বিল নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। এরপর আইন পাশের আগে এই নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন এই আইন লাগু নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হবেন।
গুন্ডাদমন আইন শুরু হওয়ার দিনই স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের মামলা করলেন সব্যসাচী
Jul 15, 2026
গুন্ডা দমন আইন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের জনস্বার্থ মামলা। সোমবার মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের। মামলা দায়ের করার পরই শুনানি হবে, জানিয়ে দিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
বিধানসভায় পেশ হওয়ার আগেই প্রস্তাবিত ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোস্যাল অ্যাকটিভিজ বিল নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। এরপর আইন পাশের আগে এই নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন এই আইন লাগু নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হবেন।
তবে বিরোধীদের সহস্র অভিযোগের পরও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য , রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্যই এই আইন আনা হয়েছে। তিনি বিল পেশের সময় বলেছেন, “রাজ্যে কোনও ধরনের অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হলে বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশ এখন থেকে কঠোরভাবে নতুন আইন প্রয়োগ করবে। বিভিন্ন রাজ্যে এই আইন কার্যকর হয়েছে ৷ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগের সরকার জনগণের নিরাপত্তার দিকে বিন্দুমাত্র নজর দেয়নি ৷ এবার আমরা সুশাসনের দিকে নজর দিয়েছি ৷” এরপর নানা বিতর্কের মধ্যে সোমবার লাগু হয় গুন্ডাদমন আইন। আর ওই দিনই স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে সব্যসাচী।
বিরোধীদের আশঙ্কা , এই আইনের অপব্যবহার হবে না তো? বিরোধীদের প্রতিবাদ রুখতেই কি এই আইন আনল সরকার? কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেছেন, “গুন্ডা দমন আইনের বিরোধিতা আমরা করছি। এই আইনের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট সবই হবে। এই আইন দমনমূলক এবং অনৈতিক। এই আইন পশ্চিমবঙ্গে চালু না হওয়াই উচিত। এই আইন মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার আইন।”
We hate spam as much as you do