দ্বিতীয়ার্ধে, উল্লেখযোগ্য ভাবে একাধিক পরিবর্তন করেন জয়ে মরিয়া ইংল্যান্ডের কোচ টুচেল। দেকলান রাইস আর মাদুয়েকের পরিবর্তে যথাক্রমে মাঠে নামেন এজে ও বুকায়ো সাকা। তবে নরওয়ে লড়াই থেকে পেছপা হয়নি। হেগ্গেমের গোল ভার বাতিল না করলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যেত। এক্ষেত্রে, কাঠগড়ায় দলের প্রাণভোমরা হালান্ড। এলিওট অ্যান্ডার্সনকে অহেতুক ধাক্কা মেরে বসেন বিশ্বের এক নম্বর স্ট্রাইকার। আরও একবার প্রায় গোল করে ফেলেছিল নিশীথ সূর্যের দেশ।
বেলিংহ্যামের জোড়া ফলায় শেষ চারে ইংল্যান্ড মুখোমুখি মেসি'দের
উত্থান দাশ
১২ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনার সাথে। গত রবিবার ইংল্যান্ড নরওয়ে কে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয়।
বেলিংহামের জোড়া গোল। আর তাতেই ভর করে শেষ চারের টিকিট জোগাড় করে ফেলল ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষে, এযাবৎ কালের বিশ্বের একনম্বর ফিনিশার। যিনি প্রায় একার দৌলতেই একের পর এক হেভিওয়েটকে পর্যুদস্ত করেছেন। একা কুম্ভ হয়ে দলকে শেষ আটে পৌঁছে দিয়ে দেশের ফুটবল ইতিহাসকে নতুন করে লিখেছেন। সেই দীর্ঘকায় হালান্ড এবং তাঁর ‘ভাইকিং’ সহযোদ্ধাদের স্বপ্নের সফর আপাতত শেষ হয়ে গেল। একসময়ের বিশ্বত্রাস ‘ঔপনিবেশিক’ শাসকদের কাছে।
ম্যাচের প্রারম্ভিক পর্ব থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই উপহার দিয়েছে দু’দল। ৩৬ মিনিটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। আন্দ্রে জেলদেরাপের লফ্ট ইংরেজ গোলকিপার পিকফোর্ডকে স্থাণুর মতো দাঁড় করিয়ে রেখে গোলে ঢুকে যায় (০-১)। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার লগ্নে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে ইংল্যান্ড। গর্ডনের থেকে বল পেয়ে অবলীলাক্রমে নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক নাইল্যান্ডকে পরাস্ত করেন বেলিংহ্যাম (১-১)।
দ্বিতীয়ার্ধে, উল্লেখযোগ্য ভাবে একাধিক পরিবর্তন করেন জয়ে মরিয়া ইংল্যান্ডের কোচ টুচেল। দেকলান রাইস আর মাদুয়েকের পরিবর্তে যথাক্রমে মাঠে নামেন এজে ও বুকায়ো সাকা। তবে নরওয়ে লড়াই থেকে পেছপা হয়নি। হেগ্গেমের গোল ভার বাতিল না করলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যেত। এক্ষেত্রে, কাঠগড়ায় দলের প্রাণভোমরা হালান্ড। এলিওট অ্যান্ডার্সনকে অহেতুক ধাক্কা মেরে বসেন বিশ্বের এক নম্বর স্ট্রাইকার। আরও একবার প্রায় গোল করে ফেলেছিল নিশীথ সূর্যের দেশ। ডেভিড উলফের জোরালো হেড পিকফোর্ডের নাগাল এড়িয়ে ক্রসবারে প্রতিহত হয়। অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন বেলিংহ্যাম। মরগ্যান রজার্সের শট কোনোক্রমে প্রতিহত করেন নরওয়ে দুর্গের শেষ প্রহরী। ফিরতি বল জালে ঠেলতে ভুল করেননি রিয়াল মাদ্রিদের তারকা মিডফিল্ডার (২-১)। এই নিয়ে মোট তিন তিনবার শেষ চারের লড়াইয়ে ওয়েইন রুনি, ডেভিড বেকহ্যামদের দেশ। প্রথমবারের বার একেবারে বিশ্বকাপ (পড়ুন জুলে রিমে কাপ) নিয়েই ঘরে ফিরেছিল তারা। ববি মুর, ববি চার্লটন, জিওফ হার্স্টদের সেই ঐতিহাসিক জয়ের ‘রিপিট টেলিকাস্ট’ দেখাতে মরিয়া হ্যারি কেনরা। আপাতত পথের কাঁটা একটাই। ‘লিওনেল আন্দ্রে মেসি!’
We hate spam as much as you do