বারুইপুর কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল সিপিএম নেতা ও সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য লাহেক আলিকে। বারুইপুর কাণ্ডে অশান্তি, ভাঙচুর ও উস্কানিমূলক মদত দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যার জেরে সৃষ্ট অশান্তি এবং গণপিটুনিতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে (Layek Ali) রবিবার রাতে এসটিএফ (STF) এবং পুলিশ বারুইপুরের খোদারবাজার এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে।
আজই বারুইপুর কান্ডে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে বিতর্কিত গ্রেপ্তারের পর আদালতে তোলা হল
১৩ জুলাই : ২০২৬.
অবশেষে আদালতে আজ সকালে গ্রেফতার সিপিআইএম নেতৃত্ব লাহেক আলিকে আদালতে তোলা হল।
আদালত চত্বরে পৌঁছনোর আগে প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় তাঁর মাথায় হেলমেট দেখা যায়। যা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
সূত্রের খবর, লাহেক নিজে হেলমেট পরতে চাননি। তিনি স্পষ্ট পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মাথা উঁচু করে আদালতে যাবেন কিন্তু তাঁর নিরাপত্তার স্বার্থ দেখিয়ে পুলিশ হেলমেট পরায়। এনিয়ে একাধিক বাম কর্মী-সমর্থক বিরক্ত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলছেন, ডিম ছোড়া কোনও সভ্য কাজ নয়। পুলিশের দায়িত্ব একাজ আটকানো। তার জন্য কেউ কেন হেলমেট পরবেন?
বারুইপুর কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল সিপিএম নেতা ও সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য লাহেক আলিকে। বারুইপুর কাণ্ডে অশান্তি, ভাঙচুর ও উস্কানিমূলক মদত দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যার জেরে সৃষ্ট অশান্তি এবং গণপিটুনিতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে (Layek Ali) রবিবার রাতে এসটিএফ (STF) এবং পুলিশ বারুইপুরের খোদারবাজার এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। উল্লেখ্য, বারুইপুরে নাবালিকা গণধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডে উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর চালায় এবং অভিযুক্ত সন্দেহে একজনকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়।
ধৃত সিপিএম নেতার লাহেক আলির বিরুদ্ধে বিএনএস- এর ২০টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। উস্কানি, প্ররোচনা, গন্ডগোল পাকানো, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ধারায় মামলা হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। আগামীকাল তাঁকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে চাইতে পারে পুলিশ। জানা গিয়েছে, লাহেক আলির বিরুদ্ধে রেলওয়ে অ্যাক্টেও মামলা দায়ের হয়েছে। গণপিটুনিতে হত্যা, বেআইনি জমায়েত, হিংসায় উস্কানি, দাঙ্গা ছড়ানোর ধারাতেও মামলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, হামলার ধারাতেও মামলা হয়েছে।
বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ।
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, গণপিটুনিতে খুন, প্ররোচনা দেওয়া, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে আসা, উস্কানি দেওয়া, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা-বিদ্বেষ ছড়ানো, জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীর উপর হামলা, অপরাধমূলক ভয় দেখানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সংরক্ষিত সম্পত্তি নষ্ট করা, অবৈধ কাজ করা, রেলের সম্পত্তির ক্ষতি করা, রেলকর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত - এই ধারাগুলিতে মামলা রুজু হয়েছে ধৃত লাহেক আলির বিরুদ্ধে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, এই হত্যাকাণ্ড এবং অশান্তির পেছনে রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তির মদত রয়েছে এবং ২০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, এই গ্রেফতার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।।
We hate spam as much as you do