Tranding

11:24 PM - 06 Jul 2026

Home / Sports / দুই দশক পরেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা হল না, নরওয়ের কাছে হার

দুই দশক পরেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা হল না, নরওয়ের কাছে হার

শুরুর চাপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ব্রাজিল। ১৩তম মিনিটে ম্যাথেউস কুনিয়াকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু ব্রুনো গিমারায়েসের স্পটকিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম পেনাল্টি মিস এটি।

দুই দশক পরেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা হল না, নরওয়ের কাছে হার

দুই দশক পরেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা হল না, নরওয়ের কাছে হার

০৬ জুলাই ২০২৬, 


২০০২ সালের পর থেকে নকআউট পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ মানেই বিশ্বকাপ যাত্রার ইতি ব্রাজিলের। দুই দশক পরেও ব্যতিক্রম ঘটেনি সে তিক্ত অভিজ্ঞতার। শুরুতে পাওয়া পেনাল্টি কিংবা এন্দ্রিক- মার্তিনেল্লিদের পাওয়া সহজ সুযোগ, ভাগ্যটাও আজ ছিল সেলেসাওদের বিপক্ষে। ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সোমবার (৬ জুলাই) নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে ব্রাজিল। জোড়া গোলে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার নায়ক আর্লিং হলান্ড। ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন নেইমার।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। তৃতীয় মিনিটেই প্যাট্রিক বার্গ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপরও বলের দখলে এগিয়ে থেকে মার্টিন ওডেগার্ড, আলেক্সান্ডার সরলথ ও আর্লিং হলান্ডকে ঘিরে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে ইউরোপের দলটি।

শুরুর চাপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ব্রাজিল। ১৩তম মিনিটে ম্যাথেউস কুনিয়াকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু ব্রুনো গিমারায়েসের স্পটকিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম পেনাল্টি মিস এটি।

বিরতির আগে দুদলই একাধিক সুযোগ তৈরি করে। ৩১ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস নিল্যান্ডের পায়ে লেগে অল্পের জন্য জালে ঢোকেনি। ৪১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শটও দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক। অন্যদিকে যোগ করা সময়ে ওডেগার্ডের জোরালো শট ঠেকিয়ে ব্রাজিলকে রক্ষা করেন অ্যালিসন। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতির পর ব্রাজিল আক্রমণের ধার বাড়ায়। ৬০ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমেই গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন এন্দ্রিক। এরপর রায়ানের দূরপাল্লার শটসহ আরও কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন নিল্যান্ড।

৬৮ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বদলে মাঠে নামেন নেইমার। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন নরওয়ের বদলি খেলোয়াড় আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। ৭৯ মিনিটে তার দারুণ ক্রসে আর্লিং হলান্ডের শক্তিশালী হেডে এগিয়ে যায় নরওয়ে।

গোল হজমের পর ব্রাজিল আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়লেও সমতা ফেরাতে পারেনি। বরং ৯০ মিনিটে আবারও শেলদেরুপের পাস থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন হলান্ড।

যোগ করা সময়ের শেষদিকে ক্যাসেমিরোকে ফাউলের ঘটনায় পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ১০০তম মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নেইমার। তবে শেষ মুহূর্তে আর সমতায় ফিরতে পারেনি সেলেসাওরা।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ২-১ গোলের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় নরওয়ে। অন্যদিকে ২০০২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক হন হলান্ড, আর দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন বদলি খেলোয়াড় আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।

Your Opinion

We hate spam as much as you do